দিনভর টানাপড়েন, উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনার পর শুক্রবার রাতে বৌবাজার থানায় পুরো ঘটনা জানিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনইমপা-র সদ্যপ্রাক্তন সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত এবং প্রযোজকদের মুখ বলে পরিচিত শতদীপ সাহা। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের ১৮ দিনের মাথায় ইমপা-র সভাপতিপদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল পিয়া সেনগুপ্তকে।
পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা-ভিত্তিক বাংলা চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন প্রযোজকদের প্রাচীনতম এবং প্রধানতম ট্রেড ইউনিয়ন বা সংগঠন ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন। কদিন ধরেই সেখানে সংগঠনের খোলনলচে বদলানোর দাবিতে আন্দোলন চলছিল। দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে ইমপা সভাপতি ও প্রযোজকদের মধ্যে। ২২ মে চতুর্থ বারের জন্য সমস্ত সদস্যদকে নিয়ে সাধারণ বৈঠক করার ডাক দেন ইমপা সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত।
তাঁর অভিযোগ, যাঁরা সদস্য নন, তাঁরাও বৈঠকে হাজির হন। ধুন্ধুমার কাণ্ড হয় সংগঠনের অফিসে। একই সঙ্গে অপমান করা হয়েছে তাঁকে, এমনকি তাঁর দিকে নাকি তেড়েও আসেন কয়েক জন। যাঁদের মধ্যে পিয়া সেনগুপ্ত বার বার উল্লেখ করেছেন পরিচালক অতনু বোসের নাম।
হইচই, ক্রমান্বয় বাগবিতণ্ডায় শুক্রবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন পিয়া। সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, ‘প্যানিক অ্যাটাক’ হয়েছে তাঁর। বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ইমপা সভাপতিকে। একটু ধাতস্থ হয়ে তিনি আসেন থানায়।
পিয়া সেনগুপ্ত বলেন, “আমার সঙ্গে যাঁরা আজ সারা দিন ধরে অভব্য আচরণ করেছেন, তাঁদের সকলের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।” শতদীপ বলেন, “ঘটনার পরেই আমরা বৌবাজার থানায় আসি। সারা দিনের ঘটনা লিখিত ভাবে জানিয়েছি।”
প্রসঙ্গত, শুক্রবার একাধিক বার বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে আসেন পিয়া। অভিযোগ করেন, “আমার সঙ্গে অভব্য আচরণ করা হচ্ছে। বৈঠক চলাকালীন পরিচালক অতনু বোস, রতন সাহা আমার দিকে তেড়ে এসেছেন। আমি বৈঠক করব না।”


Recent Comments