back to top
Monday, July 13, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিসাংবাদিক নিগ্রহ নিয়ে বিতর্ক নেটনাগরিকদের মধ্যে

সাংবাদিক নিগ্রহ নিয়ে বিতর্ক নেটনাগরিকদের মধ্যে

অশোক সেনগুপ্ত

একটি সংবাদ চ্যানেলের সাংবাদিক নিগ্রহ নিয়ে প্রবল বিতর্ক শুরু হয়েছে। বুধবার হাওড়ায় এই নিগ্রহের ঘটনা ঘটে। এই লেখা পর্যন্ত কোনও সাংবাদিক সংগঠন বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেনি। কিন্তু সরব হয়েছেন নেটনাগরিকদের একাংশ।

ফেসবুকে সিনিয়র সাংবাদিক সঞ্জয় ভদ্র
তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “এটা কি ফাজলামো হচ্ছে। ইচ্ছে হলো সাংবাদিক পিটিয়ে দিলাম!
আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর একটা প‍্যাটার্ন আছে। মাইনরিটি মব। এতো অসহিষ্ণুতা কেন? আজ মারা হলো হাওড়াতে। ….. সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে সব।” সওয়া তিনটে পর্যন্ত ৩২ টা প্রতিক্রিয়া আসে। এর পর প্রতিক্রিয়ার সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলে।

ডিজিটাল মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত রায় লিখেছেন, “আসলে আমাদের নিজেদের মধ্যে মিল নেই। আমরা যদি জোটবদ্ধ না হই আগামী দিন আরো ভয়ংকর অপেক্ষা করছে।” সৈকত পাল লিখেছেন, “আমাদের নিজেদেরই কিছু করা উচিত দাদা কেউ দেখবে না কেউ কিছু করবে না আমাদের সুরক্ষা নিয়ে আমাদেরই কিছু করতে হবে।
যশোবন্ত বিশ্বাস লিখেছেন, “সাত দিন ক্যামেরা বন্ধ করে দাও সব ঠিক হয়ে যাবে।” প্রশান্ত মজুমদার লিখেছেন, “মালিকরা চটি ভালোবাসলে, নিচের তলায় যারা ফিল্ড এ কাজ করে তারা মার খাবে? সুমন এর মতো লোকেরা মার খাবে না, এটা নিশ্চিত।”

অরিন্দম পণ্ডিত লিখেছেন, “সাংবাদিকতা শেষ হয়ে গেছে। এখন সামান্য কিছু জন বেঁচে আছেন, যাঁরা সাংবাদিক। বাকিগুলো দালাল বেশির ভাগ বিজেপি-র, সামান্য কিছু টিএমসি-র। আগামী আর ভয়ংকর হতে চলেছে। প্রতিবাদ জানিয়ে সুব্রত রায় লিখেছেন, “সাংবাদিকদের দালাল বলার আগে বর্তমানে যে রাজনৈতিক নেতারা নিচু মানসিকতার পরিচয় দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন।”

বিরোধী মতামতও এসেছে। দেবাশিস দত্ত লিখেছেন, “ময়ুখ মার খাবেই। ও একজন সাংবাদিকের আড়ালে বিজেপির কর্মী। কথার কোনও লাগাম নেই। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে পিসি আর অভিষেককে ভাইপো বলে ডাকে। মমতার ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবন নিয়ে নোংরা প্ররোচনা দেয়। সাংবাদিকের পরিচয় না থাকলে অনেকদিন আগেই মার খেতো। আপনি নিজেও সাংবাদিক, অনেকের দায়িত্ব নিয়ে বসে আছেন ওকে বলুন মমতার যত খুশি গঠনমূলক সমালোচনা করার করুক। তাতে মমতার ভক্তরা খুশি হবে। কিন্তু নোংরামি করলে সে যে সাংবাদিকই করুক, সে আইনভঙ্গ করেই এসব করছে।” বিকাশ কর্মকার লিখেছেন, “যে কোন মারধরের বিরোধিতা করি কিন্তু ময়ুখ সাংবাদিক?”

আরো পড়ুন:  এসআইআর নিয়ে বিজেপি-র ক্রমাগত আক্রমণের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

সাংবাদিক-নিগ্রহের প্রতিবাদ করেছেন ঐন্দ্রিলা ঘোষ। তিনি লিখেছেন, “রোজকার ঘটনা হয়ে যাচ্ছে। দিনে দিনে অত্যন্ত খারাপ দিকে যাচ্ছে এটা। এবার এটা নিয়ে সাংবাদিকদের এবং প্রেস ক্লাবের ভাবা উচিত। কিছুদিন আগে আমাকেও ব্যারাকপুর কোর্টে মারা হয়। হাতে ক্র্যাক হয়ে যায়। এরকম চলতে থাকলে ভয়ংকর !” অনির্বান চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, “মাথায় তোলার ফল এই মববাজি!”

পুলক যশ লিখেছেন, “লজ্জা লজ্জা!”
দীপজয় ঘোষ লিখেছেন, “আগেও বলেছি , আবারো বলছি। চ্যানেল গুলোর যা ভূমিকা তাতে যেকোনো দিন এর চেয়েও বড় কোনো কিছু ঘটতে পারে। ফিল্ডে থাকা রিপোর্টারদের কোনো দোষ না থাকা সত্বেও ওরাই বারবার মারটা খাবে।” রোহন বাগচী লিখেছেন, “ছিঃ লজ্জা,এইবার গর্জে ওঠার সময় এসেছে।” শুভঙ্কর ঘোষ লিখেছেন, “সাংবাদিক দের গায়ে হাত তোলা অন্যায়।”

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments