back to top
Tuesday, October 13, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিরাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বড় সিদ্ধান্ত, একসঙ্গে ৬ রাজ্যে রাজ্যপাল পদে রদবদল; নতুন...

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বড় সিদ্ধান্ত, একসঙ্গে ৬ রাজ্যে রাজ্যপাল পদে রদবদল; নতুন দায়িত্বে চারজন

Sk. Armaan Hossain: দেশের ছয়টি রাজ্যে রাজ্যপাল পদে বড়সড় রদবদল করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সোমবার, ১২ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে চারজন নতুন রাজ্যপালের নিয়োগ এবং দুই রাজ্যের বর্তমান রাজ্যপালকে অন্য রাজ্যে বদলির কথা জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে কেরলম, তামিলনাড়ু, সিকিম, কর্ণাটক, উত্তরাখণ্ড ও ওড়িশার রাজ্যপাল পদে পরিবর্তন আসছে।
রাষ্ট্রপতি ভবনের সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সিকিমের বর্তমান রাজ্যপাল ওম প্রকাশ মাথুরকে কেরলমের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। অন্যদিকে, কেরলমের রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকরকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, সিকিম, কর্ণাটক, উত্তরাখণ্ড ও ওড়িশায় নতুন রাজ্যপাল নিয়োগ করা হয়েছে।
নতুন নিয়োগ অনুযায়ী, বিজেপির প্রবীণ নেতা দুষ্যন্ত গৌতমকে সিকিমের রাজ্যপাল করা হয়েছে। ড. সুধা যাদবকে কর্ণাটকের রাজ্যপাল, ড. ঢাল সিং বিসেনকে উত্তরাখণ্ডের রাজ্যপাল এবং ব্রজ মোহন রামকে ওড়িশার রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
এই রদবদলে ছয়টি রাজ্যের মধ্যে চারটিতে নতুন রাজ্যপাল নিয়োগ করা হয়েছে। বাকি দুই রাজ্যে কর্মরত রাজ্যপালদের অন্য রাজ্যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ভবনের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট রাজ্যপালরা যে দিন থেকে তাঁদের নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, সেই দিন থেকেই এই নিয়োগ কার্যকর হবে।

রাজ্যপালদের নতুন তালিকা:
১. কেরলম — ওম প্রকাশ মাথুর। তিনি আগে সিকিমের রাজ্যপাল ছিলেন।
২. তামিলনাড়ু — রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকর। তিনি আগে কেরলমের রাজ্যপাল ছিলেন এবং তামিলনাড়ুর অতিরিক্ত দায়িত্বও সামলাচ্ছিলেন।
৩. সিকিম — দুষ্যন্ত গৌতম। তাঁকে নতুন রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
৪. কর্ণাটক — ড. সুধা যাদব। তাঁকে নতুন রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
৫. উত্তরাখণ্ড — ড. ঢাল সিং বিসেন। তাঁকে নতুন রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
৬. ওড়িশা — ব্রজ মোহন রাম। তাঁকে নতুন রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, রাজ্যপালরা রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে কাজ করেন। রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রের মধ্যে সাংবিধানিক সম্পর্ক বজায় রাখা, বিধানসভায় পাস হওয়া বিলের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করা এবং সংবিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ভূমিকা নেওয়া তাঁদের কাজের অন্তর্ভুক্ত।

আরো পড়ুন:  Assembly Election 2026: প্রার্থী-পরিচিতি ১, ডঃ শতরূপা

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments