Ankita Mondal: ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’ নয়, এবার খবর জনগণনা নিয়ে। জনগণনার কাজে নামানো যেতে পারে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদেরও! পুরনো নিয়ম সংশোধন করল কেন্দ্রীয় সরকার।
২০২৭ সালের জনগণনা প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করতে ১৯৯০ সালের সেন্সাস রুলস বা জনগণনার নিয়মে বড় সংশোধন করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
১৯৯০ সালের বিধি অনুযায়ী, জনগণনার কাজে কারা গণনাকারী হিসেবে কাজ করতে পারবেন, তা নির্দিষ্ট ছিল। মূলত সরকারি কর্মী এবং সরকারি স্কুলের শিক্ষকদেরই এই কাজে নেওয়া হতো।
নতুন সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি সরকারি স্কুলের পাশাপাশি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরও গণনাকারী হিসেবে নিয়োগ করতে পারবে।
অর্থাৎ, শিক্ষক ঘাটতি মেটাতে এবং আইনি জট কাটাতে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ।
সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে এই নিয়ে মামলা হয়েছিল। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চ প্রশ্ন তুলেছিলেন, “কেন জেলা বা পুরসভার কর্মীদের না বসিয়ে কেবল সরকারি স্কুলের শিক্ষকদেরই এই কাজে নামানো হল? পঠনপাঠন ক্ষতিগ্রস্ত হবে না?”
আদালত পরামর্শ দিয়েছিল, ২০ জন শিক্ষকের মধ্যে ৫ জনকে জনগণনার জন্য নিযুক্ত করা হোক, বাকি ১৫ জন স্কুল চালাবে। অথবা শিক্ষক না নিয়ে শিক্ষাকর্মী (নন-টিচিং), পুরসভা, পঞ্চায়েত থেকে লোক নিয়োগ করা হোক।
সেই আইনি জট কাটাতেই কেন্দ্র ১৯৯০-র নিয়মে সংশোধন এনে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদেরও এই কাজের আওতায় আনল।
এবার থেকে জনগণনার কাজে অনীহা দেখালে শিক্ষক বা শিক্ষাকর্মীদের বিরুদ্ধে জেল-জরিমানার মতো কড়া ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রশাসন।

Recent Comments