শীত প্রায় বিদায় নিয়েছে। দিনের বেলায় ফ্যানের রেগুলেটর বাড়াতে হচ্ছে। কিন্তু আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিন বলছে, এখনই ছাতা তুলে রাখবেন না। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া একটি বিপরীত ঘূর্ণাবর্তের (Anti-cyclone) জেরে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। যার ফলে আগামী শনিবার ও রবিবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
কোথায় কতটা বৃষ্টি? আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, উপকূলবর্তী জেলাগুলি অর্থাৎ দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতায় আকাশ মূলত মেঘলা থাকবে এবং শনিবার বিকেলের দিকে দু-এক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা। এর ফলে তাপমাত্রার পারদ সামান্য কমলেও, বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ার কারণে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হবে।
প্রেমিক-প্রেমিকাদের চিন্তা: সামনেই ৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ‘ভ্যালেন্টাইন্স উইক’ বা প্রেমের সপ্তাহ। রোজ ডে (Rose Day)-র দিনই যদি আকাশ কাঁদে, তবে কি পণ্ড হবে প্রেমিক-প্রেমিকাদের প্ল্যান? প্রিন্সেপ ঘাটে যাওয়ার প্ল্যান করা এক কলেজ ছাত্রী রিয়া বলেন, “সারা বছর বৃষ্টির দেখা নেই, আর সব স্পেশাল দিনেই বৃষ্টি হতে হয়!”
চাষিদের মাথায় হাত: শহরের মানুষের কাছে এটি বিরক্তির কারণ হলেও, গ্রামের চাষিদের কাছে এটি শঙ্কার। অকাল বৃষ্টিতে রবি শস্য, বিশেষ করে আলু এবং সর্ষের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে চাষিদের পাকা ফসল দ্রুত তুলে ফেলার বা জমিতে জল নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, এল নিনো (El Nino)-র প্রভাব কেটে গেলেও, জলবায়ু পরিবর্তনের (Climate Change) কারণেই এখন এমন খামখেয়ালি আচরণ করছে প্রকৃতি।
