
পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নের বন্ধ দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও দরজা খুলে দেওয়া হবে। রবিবার কলকাতায় চিকিৎসকদের এক সম্মেলনে এ কথা বলেন বিজেপি-র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সাংগঠনিক সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী।
তিনি বলেন, দীর্ঘকাল ধরে আয়ুস্মান ভারত-সহ নানা কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা রূপায়িত করতে দেওয়া হয়নি। পাঁচ মাস আগে পালাবদলের পর বাংলার মানুষের কাছে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সমাজকল্যাণ প্রভৃতি খাতে সরাসরি নানা সুযোগ পৌঁছোতে শুরু করেছে। এর সামগ্রিক সুফল পেতে গেলে সবার অংশগ্রহণ দরকার।
অমিতাভবাবু বলেন, এই পরিবর্তনকে সবার ব্যক্তিগতভাবে না দেখে সামগ্রিকভাবে দেখতে হবে। স্বতোপ্রণোদিতভাবে সবাইকে যুক্ত করতে হবে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে। দেশের অন্য অনেক রাজ্যে উন্নয়নের গতি এ রাজ্যের চেয়ে বেশি। পশ্চিমবঙ্গে এই অবস্থার উন্নতির জন্য নিজস্ব নানা পরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে রূপায়িত করা হবে। যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে ‘টিম’ করা হচ্ছে। এ রাজ্যে তৈরি হচ্ছে প্রায় ৪ কোটি সুবিধাপ্রাপ্ত।

এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখার্জি, বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি ডাঃ মধুছন্দা কর, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা শাখার আহ্বায়ক ডাঃ গৌরাঙ্গ চন্দ্র সাহা, দুই বিধায়ক রিতেশ তেওয়ারি ও পাপিয়া অধিকারী প্রমুখ।
উদ্বোধনী পর্বে ছিল বিশিষ্ট অতিথিদের আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা, ঐতিহ্যবাহী প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, অতিথিদের বক্তব্য এবং পশ্চিমবঙ্গে Dental Healthcare ও Dentistry-র ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। অনুষ্ঠানের একটি আকর্ষণ ছিল পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬-২০২৮ দন্ত্যচিকিৎসার পথনির্দেশিকা।

দন্ত্যচিকিৎসকদের বিশিষ্টদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে সিনিয়রদের Crown of Excellence Award – সম্মাননা, বিভিন্ন জেলায় জনসাধারণের জন্য মুখের স্বাস্থ্য শিবির ও সামাজিক দন্ত্যচিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের Seva Pakshakal Swasthya Pariseva Samman 2026 — সম্মাননা ও স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
উদ্যোক্তারা জানান, এদিনের সমাবেশের মূল উদ্দেশ্য হল দন্ত্যচিকিৎসক, চিকিৎসা ও শিক্ষাক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, নীতিনির্ধারক, জনপ্রতিনিধি এবং পেশাগত নেতৃত্বকে একটি অভিন্ন মঞ্চে নিয়ে এসে এই ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করা।


Recent Comments