Om Shankar Bhatta: রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত বাংলার রাজনৈতিক মহল । ভোটের পর আম জনতা উন্নয়ন পার্টির সভাপতি তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে প্রকাশ্যে আবেগপ্রবণ অবস্থায় দেখা যায়। সংবাদমাধ্যমের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি ভোটে অনিয়ম ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক অভিযোগ তোলেন হুমায়ুন ।
হুমায়ুনের দাবি ভোট গ্রহণের সময় তাকে আর তাঁর দলের কর্মী ও সমর্থকদের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে । রেজিনগর আসনটিতে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হয়ে তাঁর পুত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও, ভোটের ফল প্রকাশের আগেই একপ্রকার পরাজয় স্বীকার করে নেন তিনি। সেই সঙ্গে নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ভুল ত্রুটি নিয়ে অনুশোচনা করে জানান, ছেলেকে এই লড়াইয়ের ময়দানে নামানো তাঁর একটি বড় ভুল পদক্ষেপ ছিল।
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও সরব হন হুমায়ুন। তাঁর অভিযোগ, ভোটে কারচুপি ও ভোট লুটের মতো ঘটনা ঘটেছে এবং এই পরিস্থিতিতে তাঁর দল কার্যকরভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। এমন পরিস্থিতি দেখে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন
বলেও জানান।
ভোটের ফল নিয়ে আগে থেকেই তাঁকে নির্দিষ্ট ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, বলে দাবি হুমায়ুনের। ভোটের ফল প্রকাশের আগেই তাঁর এমন আত্মসমর্পণ এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
এই ঘটনার পর নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তার কথা জানান হুমায়ুন কবীর। বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেবেন কি না, সে বিষয়ে নওদার মানুষের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেন তিনি।
তবে বিধায়কের এই ক্ষোভ ও কান্নাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ বিরোধী শিবির। রাজনৈতিক মহলের মতে, পরাজয় নিশ্চিত জেনেই এভাবে আবেগের আশ্রয় নিচ্ছেন হুমায়ুন কবীর। এই পরিস্থিতিতে রেজিনগরের ফলাফলের পাশাপাশি তাঁর নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও বাড়ছে জল্পনা।

Recent Comments