back to top
Tuesday, October 13, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeকলকাতাদিল্লিতে তৃণমূল-সিপিএম ভাই ভাই? যন্তর মন্তরের আগে মমতার সঙ্গে এম এ বেবির...

দিল্লিতে তৃণমূল-সিপিএম ভাই ভাই? যন্তর মন্তরের আগে মমতার সঙ্গে এম এ বেবির ফোনালাপ, বার্তা বিমান-সুজনের

Ankita Mondal: জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতে দিল্লিতে যখন কাছাকাছি আসছে তৃণমূল এবং সিপিএম, তখন সিপিএমের রাজ্য নেতৃত্বের গলায় ভিন্ন সুর। তৃণমূল-সিপিএম! কার্যত সাপে-নেউলে সম্পর্ক! সেই দুই রাজনৈতিক দলই এখন দিল্লিতে এক মঞ্চে।

সম্প্রতি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবির সঙ্গে চিঠি দেওয়া-নেওয়ার পাশাপাশি ফোনেও কথা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির কর্মসূচিতে মমতার যোগ দেওয়ার কথা, যেখানে পিনারাই বিজয়ন, এম এ বেবিরাও থাকবেন।

এই আবহেই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন বিমান বসু, সুজন চক্রবর্তীরা।

দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর মতে, “বেশ কয়েক বছর ধরেই কংগ্রেস এবং সিপিএম উদ্যোগী হয়ে বিজেপির ফ্যাসিবাদী রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়ছে।”

অন্যদিকে দিল্লির বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে প্রবীণ নেতা বিমান বসুও ব্যাখ্যা দিয়েছেন, “ভিন্নতা-অভিন্নতা নিয়েই ‘ইন্ডিয়া’র শরিকেরা বৃহত্তর স্বার্থে আন্দোলনে থাকবে। রাজ্যে নির্বাচনী সমঝোতার সঙ্গে এই প্রশ্নকে এক করে ফেলা উচিত নয়।”

অর্থাৎ বিমান বসুর কথায় স্পষ্ট, জাতীয় স্তরে বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ে তৃণমূলের সঙ্গে থাকতে আপত্তি নেই, কিন্তু তার মানে এই নয় যে রাজ্যে তৃণমূলের সঙ্গে সমঝোতা হবে।

এই তত্ত্ব অবশ্য নতুন নয়। এক সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই কংগ্রেসে থাকাকালীন সিপিএম-কংগ্রেস আঁতাতকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন ‘দিল্লিতে দোস্তি, রাজ্যে কুস্তি’। এবার সেই একই প্রশ্ন ঘুরে আসছে তৃণমূল-সিপিএমের ক্ষেত্রে।

রাজ্যে ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে এই ‘দোস্তি’ কি ‘কুস্তি’তে বদলাবে, নাকি জাতীয় স্বার্থে একসঙ্গে পথ চলবে দুই চির-প্রতিদ্বন্দ্বী, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Author

আরো পড়ুন:  District President Trinamool ভালো তৃণমূল' সেজে লাভ হবে না, তাপসের বাড়ির সামনে ডিম হাতে বিক্ষোভকারীরা
RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments