রাজ্যে কর্মসংস্থানের সংকট নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে, যখন দেখা যাচ্ছে বেকার ভাতা পাওয়ার আশায় উচ্চশিক্ষিত, এমনকি পিএইচডি ডিগ্রিধারী যুবকরাও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। রাজ্য সরকার পরিচালিত যুব সহায়তা প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা পেতে বহু শিক্ষিত যুবক-যুবতী আবেদন করছেন, যা রাজ্যের কর্মসংস্থানের বাস্তব চিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
বিভিন্ন জেলায় সরকারি দপ্তর ও শিবিরগুলিতে ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদন জমা দিতে ভিড় বাড়ছে। আবেদনকারীদের মধ্যে অনেকেই উচ্চশিক্ষিত হলেও উপযুক্ত চাকরির সুযোগ না পেয়ে আর্থিক চাপে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চাকরির চেষ্টা করেও সাফল্য না মেলায় আপাতত সরকারি সহায়তার ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই প্রবণতা রাজ্যের শ্রমবাজারে চাহিদা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে ভারসাম্যহীনতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। শিল্প বিনিয়োগ ও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো না গেলে ভবিষ্যতে সমস্যাটি আরও প্রকট হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, সরকারি মহলের দাবি, যুবকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবে কত দ্রুত নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের।

