অশোক সেনগুপ্ত
২৬শে ফেব্রুয়ারি ইলেকট্রনিক সিজার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ইএসএমএস) চালু হওয়ার পর থেকে ২০২৬-এর ২৫শে মার্চ পর্যন্ত ৪০০ কোটি টাকার বেশি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভারতের নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে (ECI/PN/048/2026), বিভিন্ন রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জুড়ে একাধিক প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ৪০৮.৮২ কোটি টাকার অবৈধ প্রলোভন সামগ্রী আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নগদ ১৭.৪৪ কোটি টাকা, ৩৭.৬৮ কোটি টাকার (১৬.৩ লক্ষ লিটার) মদ, ১৬৭.৩৮ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য, ২৩ কোটি টাকার মূল্যবান ধাতু এবং ১৬৩.৩০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের অন্যান্য বিনামূল্যে দেওয়া সামগ্রী।
অভিযোগ পাওয়ার ১০০ মিনিটের মধ্যে যাতে সেগুলোর নিষ্পত্তি করা যায়, সে কারণে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জুড়ে ৫,১৭৩টিরও বেশি ফ্লাইং স্কোয়াড মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও, বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক নজরদারির জন্য ৫,২০০টিরও বেশি স্ট্যাটিক সার্ভেইল্যান্স টিম (এসএসটি) মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের ১৫ই মার্চ অসম, কেরল, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভাগুলির সাধারণ নির্বাচন এবং ৬টি রাজ্যের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। কমিশন রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সরকারগুলিকে আদর্শ আচরণবিধি (MCC) কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে।
স্মরণ করা যেতে পারে যে, কমিশন নির্বাচনমুখী ৫টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং তাদের সীমান্তবর্তী ১২টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য সচিব, সিইও, ডিজিপি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিগুলোর প্রধানদের সাথে প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেছে।
পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হিংসামুক্ত, ভীতিপ্রদর্শনমুক্ত ও প্রলোভনমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য শেষ পর্যালোচনা সভা হয়েছিল গত ২৪শে মার্চ।


Recent Comments