back to top
Sunday, April 12, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিসংসদে একশো দিনের কাজ (100 days work) ঘিরে তরজা, বাংলায় প্রকল্প বন্ধের...

সংসদে একশো দিনের কাজ (100 days work) ঘিরে তরজা, বাংলায় প্রকল্প বন্ধের দায় রাজ্যের ঘাড়ে চাপাল কেন্দ্র

আদালতের নির্দেশের পরও পশ্চিমবঙ্গে এখনও একশো দিনের কাজ শুরু না হওয়ায় বিষয়টি এবার সংসদে তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। লোকসভায় তৃণমূল সাংসদ মালা রায় মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিম (MGNREGS) নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করেন। তাঁর প্রশ্নের লিখিত জবাব দিয়েছে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক।

মালা রায় জানতে চান, ২০২৫ সালের ১ অগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে পশ্চিমবঙ্গে MGNREGS প্রকল্পে মোট কতদিন কাজ হয়েছে। পাশাপাশি গত ছয় মাসে এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারকে কেন্দ্র কত টাকা দিয়েছে, আর যদি টাকা না দেওয়া হয়ে থাকে, তার কারণ কী—তাও জানতে চান তিনি।

কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী কমলেশ পাসওয়ান তাঁর লিখিত জবাবে জানান, ২০২২ সালের ৯ মার্চ থেকেই পশ্চিমবঙ্গের জন্য একশো দিনের কাজের বরাদ্দ বন্ধ রাখা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, একাধিক নির্দেশ রাজ্য সরকার মানেনি বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরও কেন প্রকল্প শুরু হয়নি, সেই দায়ও রাজ্য সরকারের ওপর চাপিয়েছে কেন্দ্র। প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৫ সালের ১৮ জুন কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক গত বছরের ৬ ডিসেম্বর রাজ্যকে একশো দিনের কাজ পুনরায় শুরু করার অনুমতি দেয়। তবে তার জন্য প্রকল্পের স্বচ্ছ, কার্যকর ও আইনানুগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কয়েকটি বিশেষ শর্ত মানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

কেন্দ্র আরও জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য শ্রম বাজেটের প্রস্তাব পাঠানোর জন্য রাজ্য সরকারকে অনুরোধ করা হলেও এখনও পর্যন্ত সেই প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছে জমা পড়েনি। এই কারণেই প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের।

মালা রায়ের প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্র স্পষ্ট করে দেয়, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণেই বাংলায় একশো দিনের কাজ এখনও চালু করা যায়নি। উল্লেখ্য, বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আর প্রায় একশো দিন বাকি। এই পরিস্থিতিতে একশো দিনের কাজ বন্ধ থাকার বিষয়টি নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরকে দোষারোপ করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। নির্বাচনী প্রচারে কোন পক্ষ এই তথ্য কীভাবে ব্যবহার করে, সেদিকেই নজর থাকবে সংশ্লিষ্ট মহলের।

আরো পড়ুন:  বড়মা বীণাপাণি দেবীর প্রয়াণ দিবসে CAA ইস্যুতে কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ মমতার, দিলেন অভয়বার্তা

আরও পড়ুনঃ https://bengali.newscope.press/banglay-ek-dofay-bidhanasabha-vote-prostab-ceo-office-final-decision-election-commission/

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments