Susmita Das: ফ্লাইদুবাইয়ের দুবাই-তেল আভিভগামী বিমানের ককপিটে পাইলটকে ছুরি মারার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। মাঝআকাশে সহ-পাইলটের হামলার পর বিমানটি দ্রুত প্রায় ১৪ হাজার ফুট নেমে যায়। যাত্রী ও বিমানে থাকা অন্য কর্মীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে বিমানটি। ঘটনায় পাইলট আহত হলেও যাত্রীদের নিরাপদে নামানো সম্ভব হয়।
ঘটনার নেপথ্যে কোনও সন্ত্রাসবাদী যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ইরানের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে। ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, হামলাকারীর সঙ্গে কোনও সহযোগী ছিল কি না এবং ঘটনার পিছনে ইরানের যোগ রয়েছে কি না, তদন্তে তা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর কথায়, এই মুহূর্তে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর মতো তথ্য নেই। ইজ়রায়েল প্রয়োজনে তদন্তে অংশ নিতে পারে বলেও তিনি জানান।
ইজ়রায়েলি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত হামলার সঙ্গে ইরানের সরাসরি যোগাযোগের কোনও স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্তের একটি সম্ভাব্য দিক হিসেবে একক হামলাকারীর তত্ত্বও বিবেচনা করা হচ্ছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ বর্তমানে অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
এদিকে ফ্লাইদুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও উদ্দেশ্য এখনও অজানা এবং আনুষ্ঠানিক তদন্ত চলছে। সংস্থার তরফে দ্রুত কোনও সিদ্ধান্তে না পৌঁছনোর আবেদন জানানো হয়েছে। ঘটনার পর ইজ়রায়েলও সে দেশে আসা বিমানগুলির পাইলটদের পরিচয় ও নিরাপত্তা যাচাই আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ককপিটে হামলা থেকে ইরান-যোগের প্রশ্ন – ফ্লাইদুবাই রহস্যে তদন্তের নজর মধ্যপ্রাচ্যে

Recent Comments