“এসআইআর চলছে বলে অনেকের নাম বাদ গিয়েছে। গান্ধিজীর অহিংসার কথা মনে রাখুন। সত্যের জয় হোক। আমি না ধরলে এক কোটি ২০ লাখ নাম বাদ যেত। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিলেও এরা চুপিচুপি ছুপা রুস্তমের মতো কাজ করছে।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। আগামী মাসের গোড়াতেই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে। জোরকদমে লড়ছেন বিধায়কেরা। বুধবার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর বিধানসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে জৈন ধর্মাবলম্বীদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন তিনি।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভবানীপুর হল মিনি ইন্ডিয়া। বহু ভাষাভাষী মানুষ দেশের এখানে থাকেন। আমার সঙ্গে এখানে কোনও ঝগড়া হয় না। আমি একাধিক লোকের বাড়িও চলে যাই। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলেও যাই। আমি এখানে আজ অনুষ্ঠান করলাম। কারণ আমি চাই সমাজ সেবা করতে। মানস স্তম্ভ করলাম কারণ অহংকার ছেড়ে আমি এসেছি। আজ সবাই খুশি থাকুক।’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘জৈন ধর্মের পবিত্র প্রার্থনা স্তম্ভ এখানে আজ উদ্বোধন হল। চার ভাষায় এই মন্ত্র লেখা রয়েছে। জৈন ধর্মের সঙ্গে আমাদের রাজ্যের সম্পর্ক আছে। বর্ধমান ও পুরুলিয়া জেলায় অনেক মন্দির আছে। আমি পরেশনাথ মন্দিরে পর্যন্ত গিয়েছি। গুজরাতি, মাড়োয়ারিদের জানি। ওদের একাধিক শব্দ আমাদের বাংলা শব্দের সঙ্গে সংযুক্ত। এই মানস স্তম্ভ হল অহংকার না থাকা। আমরা সমাজের জন্য কাজ করি। সমাজের শান্তির জন্য কাজ করি।’

