back to top
Thursday, May 14, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিরবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথের বার্তা, বঙ্গজয়ের পর ‘বাঙালি রূপে’ মোদীর আবির্ভাব

রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথের বার্তা, বঙ্গজয়ের পর ‘বাঙালি রূপে’ মোদীর আবির্ভাব

নয়া দিল্লিতে এক ভিন্ন আবহ—তসর সিল্কের ধুতি-পাঞ্জাবি, কাঁধে উত্তরীয়, একেবারে বাঙালি সাজে ধরা দিলেন নরেন্দ্র মোদি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বড় জয় আসার পর বিজেপির সদর দপ্তরে তাঁর এই উপস্থিতি যেন শুধু রাজনৈতিক নয়, সাংস্কৃতিক বার্তাও বহন করল।


সূত্রের খবর, আগামী ২৫ বৈশাখ, অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিনের পুণ্যলগ্নেই কলকাতায় শপথ নিতে পারে নতুন সরকার। এই দিনকে বেছে নেওয়াকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।


বিজয় উৎসবের মঞ্চে দাঁড়িয়ে মোদী বলেন, বাংলার এই জয় শুধুমাত্র রাজনৈতিক পালাবদল নয়—এটি এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। তিনি স্মরণ করেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, এবং শ্রী অরবিন্দ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী।র স্বপ্নের শক্তিশালী বাংলার কথা। বিশেষভাবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “আজ তাঁর স্বপ্ন পূরণের পথে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হল।”


রাজনৈতিক হিংসার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন—“বদলা নয়, বদল চাই।” তিনি সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান, কে ভোট দিয়েছে আর কে দেয়নি—তা ভুলে গিয়ে বাংলার উন্নয়নই হোক মূল লক্ষ্য।


বাংলার ৯৩ শতাংশ ভোটদানকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে তিনি জানান, মানুষের এই বিপুল অংশগ্রহণই গণতন্ত্রের জয়। পাশাপাশি প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প চালু করা এবং অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন।
মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতির নবীন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিহারওওড়িশার পর বাংলায় এই সাফল্য পূর্ব ভারতে গেরুয়া শিবিরের অবস্থান আরও মজবুত করল।

Author

আরো পড়ুন:  জনতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা: ব্রিগেডের মঞ্চে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম সেরে ‘জনশক্তি’কে কুর্নিশ জানালেন প্রধানমন্ত্রী
RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments