24 মার্চ 2026-পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর প্রস্তুতি নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India) এবার কড়া এবং সুশৃঙ্খল পদক্ষেপ নিচ্ছে।
কারা হবেন ভোটকর্মী?
ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও ত্রুটিমুক্ত রাখতে কমিশন ভোটকর্মীদের নিয়োগের বিষয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে:
নিয়োগের অগ্রাধিকার: রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারী, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও বিমা সংস্থার কর্মী, এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মূলত ভোটকর্মী (Polling Personnel) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী, যে সমস্ত কর্মীর আগামী কয়েক মাসের মধ্যে অবসর নেওয়ার কথা, যাঁরা গুরুতর অসুস্থ, এবং গর্ভবতী বা সদ্য মা হওয়া মহিলাদের এই দায়িত্ব থেকে সাধারণত অব্যাহতি দেওয়া হয়।
কোনোভাবেই যাতে পক্ষপাতিত্ব বা রাজনৈতিক প্রভাব না পড়ে, তার জন্য বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে তিন দফায় ভোটকর্মীদের বুথ বরাদ্দ করা হবে। একেবারে শেষ মুহূর্তে কর্মীরা জানতে পারবেন তাঁদের ডিউটি ঠিক কোন বুথে পড়েছে।
আধাসেনায় নজরদারিতে জিও-ট্যাগিং
অবাধ, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে এবং অতীতের হিংসার ঘটনাগুলি এড়াতে কমিশন এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Armed Police Forces বা CAPF) মুভমেন্টে নজিরবিহীন প্রযুক্তির ব্যবহার করছে
আধাসেনার প্রতিটি টহলদারি গাড়ি এবং কুইক রেসপন্স টিমের (QRT) সাথে জিও-ট্যাগিং (Geo-tagging) বা জিপিএস (GPS) সিস্টেম যুক্ত করা হচ্ছে।
এর ফলে জেলার এবং রাজ্যের প্রধান কন্ট্রোল রুম থেকে সরাসরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর অবস্থান ট্র্যাক করা সম্ভব হবে। বাহিনী ঠিক কোথায় টহল দিচ্ছে বা তারা নির্দিষ্ট রুট মানছে কি না, তা লাইভ দেখা যাবে।
কোনো বুথ বা এলাকা থেকে অশান্তির খবর বা অভিযোগ পেলেই কন্ট্রোল রুম ম্যাপ দেখে সবচেয়ে কাছে থাকা আধাসেনার দলকে কয়েক মিনিটের মধ্যে সেখানে পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবে।
আসন্ন নির্বাচনে কারা হবেন ভোটকর্মী ? স্পষ্ট করল কমিশন , আধাসেনায় নজরদারিতে থাকছে জিও ট্যাগিং
RELATED ARTICLES


Recent Comments