আগামীকাল বিশ্ব রেডিও দিবস শ্রুতি ও শ্রোতার সেই অনির্বাণ উৎসব, যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় কণ্ঠের শক্তি কত গভীর, কত মানবিক। প্রযুক্তির দ্রুতগামী সময়েও রেডিও এক অনন্য মাধ্যম, যেখানে দৃশ্য নেই, অথচ কল্পনার দিগন্ত অসীম।
পশ্চিম বাংলায় রেডিও সম্প্রচারের ইতিহাস জড়িয়ে আছে আকাশবাণী কলকাতার সঙ্গে। ১৯২৭ সালে কলকাতায় রেডিও সম্প্রচারের সূচনা, পরে অল ইন্ডিয়া রেডিওর অংশ হিসেবে “আকাশবাণী” নামের আত্মপ্রকাশ—এই ধারাই গড়ে তোলে এক সাংস্কৃতিক বিপ্লব। আকাশবাণী কলকাতা শুধু সংবাদ পরিবেশন করেনি; এটি হয়ে উঠেছে বাঙালির শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র।
মহালয়ার সকালে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে “মহিষাসুরমর্দিনী” আজও আবেগের ঢেউ তোলে। রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি, আধুনিক গান, শ্রুতিনাটক, কথিকা ও কবিতাপাঠ—রেডিওর তরঙ্গে এগুলো পৌঁছে গেছে ঘরে ঘরে। অসংখ্য শিল্পীর প্রথম পরিচয় মিলেছে এই মাধ্যমেই। সংবাদ পাঠের নির্ভুলতা ও গাম্ভীর্য আকাশবাণীকে দিয়েছে আস্থার মর্যাদা।
সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এফএম রেইনবো ও এফএম গোল্ড তরুণদের মন জয় করেছে সঙ্গীত, টক শো ও লাইভ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

