ভয়াবহ সেই রাত: গত ২৬শে জানুয়ারি ভোররাতে আনন্দপুরের এই কারখানায় যখন আগুন লাগে, তখন ভেতরে কাজ করছিলেন বহু শ্রমিক। অভিযোগ, কারখানায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল নামমাত্র। দাহ্য পদার্থে ঠাসা গুদামে আগুন মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে। গতকাল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আরও ১৩টি দগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ডিএনএ টেস্ট ছাড়া দেহগুলি শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা।
গ্রেফতার ও তদন্ত: ঘটনার পরেই গা ঢাকা দিয়েছিলেন কারখানার মালিক গঙ্গাধর দাস। পুলিশ তাকে আগেই গ্রেফতার করেছে। আজ সকালে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই কারখানার ম্যানেজার রাজ চক্রবর্তী এবং ডেপুটি ম্যানেজার মনোরঞ্জন শীট-কে। তাদের বিরুদ্ধে গাফিলতি ও ফায়ার লাইসেন্স ছাড়াই বেআইনিভাবে কারখানা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। ধৃতদের আজই আদালতে পেশ করা হবে।
রাজনৈতিক চাপানউতোর: এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপি একে ‘মানুষের তৈরি ট্র্যাজেডি’ বা ‘ম্যান-মেড ডিজাস্টার’ বলে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। অন্যদিকে, তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের পাল্টা দাবি, “এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনা, প্রশাসন কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে, দয়া করে মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করবেন না।”
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন। তবে আনন্দপুরের বাতাস এখনও পোড়া গন্ধে ভারী, আর বাতাসে ভাসছে স্বজনহারানোদের কান্নার রোল।
আনন্দপুরের মোমো কারখানার গুদামে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ২৮ জন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন, যা নিয়ে চরম উদ্বেগ ছড়িয়েছে এলাকায়। পুলিশ ও দমকলের প্রাথমিক অনুমান, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
ভয়াবহ সেই রাত: গত ২৬শে জানুয়ারি ভোররাতে আনন্দপুরের এই কারখানায় যখন আগুন লাগে, তখন ভেতরে কাজ করছিলেন বহু শ্রমিক। অভিযোগ, কারখানায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল নামমাত্র। দাহ্য পদার্থে ঠাসা গুদামে আগুন মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে। গতকাল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আরও ১৩টি দগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ডিএনএ টেস্ট ছাড়া দেহগুলি শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা।
গ্রেফতার ও তদন্ত: ঘটনার পরেই গা ঢাকা দিয়েছিলেন কারখানার মালিক গঙ্গাধর দাস। পুলিশ তাকে আগেই গ্রেফতার করেছে। আজ সকালে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই কারখানার ম্যানেজার রাজ চক্রবর্তী এবং ডেপুটি ম্যানেজার মনোরঞ্জন শীট-কে। তাদের বিরুদ্ধে গাফিলতি ও ফায়ার লাইসেন্স ছাড়াই বেআইনিভাবে কারখানা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। ধৃতদের আজই আদালতে পেশ করা হবে।
রাজনৈতিক চাপানউতোর: এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপি একে ‘মানুষের তৈরি ট্র্যাজেডি’ বা ‘ম্যান-মেড ডিজাস্টার’ বলে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। অন্যদিকে, তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের পাল্টা দাবি, “এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনা, প্রশাসন কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে, দয়া করে মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করবেন না।”
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন। তবে আনন্দপুরের বাতাস এখনও পোড়া গন্ধে ভারী, আর বাতাসে ভাসছে স্বজনহারানোদের কান্নার রোল।
