শহীদ সন্তোষকুমার মিত্র ও শহীদ তারকেশ্বর সেনগুপ্ত স্মরণে বুধবার পালিত হল।৯৫তম হিজলী দিবস।অনৃতম উদ্যোক্তা ছিলেন শহীদ পরিবারের দুই সন্তান ঝর্ণা মুখার্জী ও মঞ্জু মুখার্জী।
হিজলী বন্দীশালায় বিনা বিচারে বন্দী নিরস্ত্র দেশপ্রেমিকদের উপর ব্রিটিশ সরকারের সশস্ত্র অতর্কিত আক্রমণ, গুলিচালনা ও বেয়নেটের মাধ্যমে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক মর্মান্তিক ও চিরস্মরণীয় অধ্যায়।
১৯৩১এর ১৬ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে সেই হত্যাকাণ্ডে দেশের দুই শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ সন্তোষকুমার মিত্র ও শহীদ তারকেশ্বর সেনগুপ্ত আত্মবলিদান করেন। তাঁদের অমর আত্মত্যাগ ভারতবাসীর মনে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে আরও সুদৃঢ় করেছিল।
এই ঐতিহাসিক আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার উদ্দেশ্যে বুধবার ৯৫তম হিজলী দিবস পালিত হয়।উপলক্ষে একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এদিন সকালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ ও চট্টগ্রাম পরিষদের আয়োজনে হয়
কেওড়াতলা শ্মশানঘাটে শহীদদ্বয়ের মর্মরমূর্তিতে মাল্যদান ও স্মরণসভা। আহ্বায়ক ছিলেন চট্টগ্রাম পরিষদের কার্যকরী সভাপতি পীযূষ কান্তি সেন।
বিকালে দক্ষিণ কলকাতায়
ঢাকুরিয়ার বাবুবাগানে শহীদ তারকেশ্বর সেনগুপ্ত উদ্যানে শহীদ মূর্তির পাদদেশে অমর শহীদদ্বয়ের স্মৃতিচারণ ও শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হয়।
সভাপতি ছিলেন ৯২ নং ওয়ার্ডের প্রাক্তন মেয়র ইন কাউন্সিলর (কে.পি.সি.) ও কাউন্সিলর মধুমিতা দেব।
শহীদ তারকেশ্বর সেনগুপ্তের ভাইপো পরিমল সেনগুপ্ত
আহ্বাণে এবং বাবুবাগান সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির সহযোগিতায়।
মধ্য কলকাতায় শহীদ সন্তোষকুমার মিত্র স্কোয়ারে শহীদ মূর্তির কাছে অমর শহীদদ্বয়ের স্মৃতিচারণ ও শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এটির আয়োজক ছিল শহীদ সন্তোষকুমার মিত্র ও তারকেশ্বর সেনগুপ্ত স্মারক সংস্থা এবং
সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার লাফিং ক্লাব।
হিজলী শহীদ ভবন (পূর্বতন হিজলী বন্দীশালা)-এ IIT খড়গপুরের উদ্যোগে শহীদদ্বয়ের মর্মরমূর্তিতে মাল্যদান ও সারাদিনব্যাপী নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


Recent Comments