back to top
Tuesday, April 14, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeবিশ্বMiddle East Crisis: মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দলের উল্টো পথে শশী থারুর, মোদী সরকারের...

Middle East Crisis: মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দলের উল্টো পথে শশী থারুর, মোদী সরকারের ‘সতর্ক’ অবস্থানের প্রশংসায় কংগ্রেস সাংসদ

মধ্যপ্রাচ্যে (Middle East) ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। একদিকে আমেরিকা (America) ও ইসরায়েল (Israel), অন্যদিকে ইরান (Iran) – এই ত্রিমুখী সংঘাতে বিশ্ব রাজনীতি এখন রীতিমতো উত্তাল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের মিসাইল সাইটগুলিতে হামলা চালিয়েছে, অন্যদিকে ইরানও পালটা তেল আভিভে আঘাত হানছে। এই চরম টানাপোড়েনের মধ্যে ভারতের অবস্থান কী হবে, তা নিয়ে দেশের অভ্যন্তরেও চলছে জোর রাজনৈতিক তরজা। প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস (Congress) যখন কেন্দ্র সরকারের তীব্র সমালোচনায় মুখর, ঠিক তখনই দলের লাইন থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে হাঁটলেন বর্ষীয়ান নেতা ও সাংসদ শশী থারুর (Shashi Tharoor)। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই চরম সংকটের মুহূর্তে ভারত সরকার যে ‘সতর্ক’ অবস্থান নিয়েছে, তা অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত।

কংগ্রেসের সরকারি অবস্থান হলো, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) এবং তাঁর সরকার ইরানের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির (Ayatollah Khamenei) হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নীরব থেকে কার্যত আমেরিকা ও ইসরায়েলের পক্ষ নিচ্ছে। সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar) একটি বিবৃতির প্রতিবাদে রাজ্যসভা ও লোকসভা থেকে ওয়াকআউটও করেছিল কংগ্রেস। কিন্তু তিরুবনন্তপুরমের (Thiruvananthapuram) সাংসদ সংবাদমাধ্যমের কাছে সম্পূর্ণ ভিন্ন মত পোষণ করেছেন।

তাঁর মতে, আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুতে ভারতের অন্তত আনুষ্ঠানিকভাবে শোকপ্রকাশ করা উচিত ছিল। কারণ, ইরানের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। দু’বছর আগে যখন ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা যান, ভারত তখন দ্রুত শোকবার্তা পাঠিয়েছিল এবং জাতীয় শোক ঘোষণা করেছিল। তবে থারুর এও স্বীকার করেছেন যে, নয়াদিল্লির ইরান দূতাবাসে শোকজ্ঞাপন বই খোলা মাত্রই ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি (Vikram Misri) সেখানে গিয়ে সই করেছেন, যা একটি অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ। এই সামান্য কূটনৈতিক সৌজন্যটুকুর বাইরে, সরকার যে সার্বিকভাবে একটি অত্যন্ত মেপে পা ফেলার নীতি বা সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে, থারুর তাকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন:  Iran War: যুদ্ধ বন্ধে তিন শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

কেন এই সতর্ক অবস্থান জরুরি? এই প্রশ্নের উত্তরে কংগ্রেস সাংসদ অত্যন্ত বাস্তবসম্মত কিছু যুক্তি তুলে ধরেছেন। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, উপসাগরীয় (Gulf) অঞ্চলে ভারতের বিশাল স্বার্থ জড়িয়ে আছে। প্রথমত, ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা সম্পূর্ণভাবে ওই অঞ্চলের উপর নির্ভরশীল। তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (LPG) এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) আমদানির ক্ষেত্রে এই দেশগুলো ভারতের প্রধান ভরসা। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হলে দেশের অর্থনীতিতে তার মারাত্মক প্রভাব পড়বে।

দ্বিতীয়ত, প্রায় ৯০ লক্ষ ভারতীয় ওই অঞ্চলে বসবাস করেন এবং কাজ করেন। তাঁদের পাঠানো রেমিট্যান্স বা বৈদেশিক মুদ্রা ভারতের অর্থনীতির একটি বড় চালিকাশক্তি। এই বিপুল সংখ্যক প্রবাসীর নিরাপত্তা ও সুস্থতা নিশ্চিত করা ভারত সরকারের প্রাথমিক দায়িত্ব। কোনও একটি ভুল কূটনৈতিক পদক্ষেপ এই লক্ষ লক্ষ প্রবাসীর জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। এছাড়াও, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) এবং সৌদি আরবের (Saudi Arabia) মতো দেশগুলি থেকে ভারতে বিপুল পরিমাণ বিদেশি বিনিয়োগ আসে। এই দেশগুলির সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর।

তাই মধ্যপ্রাচ্য বা পশ্চিম এশিয়ায় (West Asia) শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকা ভারতের নিজস্ব জাতীয় স্বার্থেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে ভারত যদি কোনও এক পক্ষের দিকে প্রকাশ্যে ঝুঁকে পড়ে, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।

শশী থারুর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, যে সমস্ত দেশ সরাসরি এই যুদ্ধের অংশ নয়, তাদের উচিত উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে অবিলম্বে এই সংঘাত থামানোর উদ্যোগ নেওয়া। আর এই শান্তি প্রক্রিয়ায় ভারতের উচিত একেবারে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া। তাঁর এই মন্তব্য স্পষ্টতই প্রমাণ করে যে, বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে তিনি দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশের বৃহত্তর স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।ন্ধুমার অ্যাকশন, লার্জার-দ্যান-লাইফ ক্যানভাস এবং রণবীর সিং-এর এনার্জি দেখতে পছন্দ করেন, তাদের এই ছবি পয়সা উসুল মনে হবে। কিন্তু যারা নিটোল গল্প এবং সূক্ষ্ম থ্রিলারের খোঁজে হলে যাবেন, তাদের হয়তো খানিকটা হতাশ হয়েই ফিরতে হবে।

আরো পড়ুন:  "এখনই Iran ছাড়ুন!" নাগরিকদের চূড়ান্ত সতর্কবার্তা America-র, তবে কি যুদ্ধের দামামা বেজে গেল?

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments