back to top
Saturday, August 29, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeজেলার খবরঅগস্টে মালদহ মেডিক্যালে ৮৩ শিশুর মৃত্যু, কারণ খতিয়ে দেখতে আজ বিশেষজ্ঞ দল

অগস্টে মালদহ মেডিক্যালে ৮৩ শিশুর মৃত্যু, কারণ খতিয়ে দেখতে আজ বিশেষজ্ঞ দল

মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চলতি অগস্ট মাসেই এখনও পর্যন্ত ৮৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে জুলাই মাসে মৃত্যু হয়েছিল ৮৭ শিশুর। পরপর এত সংখ্যক শিশুর মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে শনিবার মালদহ মেডিক্যালে আসছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল।

শুধু চলতি বছরের ঘটনা নয়, গত কয়েক বছর ধরেই মালদহ মেডিক্যালে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ দেখা যাচ্ছে। ২০২৫ সালের অগস্ট মাসে সেখানে ১০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। তার আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালের অগস্টে মৃত্যু হয়েছিল ৯৬ শিশুর।

বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, মালদহ মেডিক্যালের উপর রোগীর অত্যধিক চাপ এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হতে পারে। শুধু মালদহ নয়, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, বিহার ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন এলাকা থেকেও বহু রোগী এই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসেন। অনেক সময় বাংলাদেশ থেকেও রোগী আসার ঘটনা ঘটে।

শিশু বিভাগেও রোগীর চাপ অত্যন্ত বেশি। কোনও কোনও মাসে শিশু বিভাগে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সাড়ে ছয় হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক রোগীর তুলনায় পরিকাঠামো ও কর্মীসংখ্যা পর্যাপ্ত নয় বলেও মনে করা হচ্ছে।

মালদহ মেডিক্যালের এমএসভিপি প্রসেনজিৎ বর জানিয়েছেন, হাসপাতালটিতে বাইরে থেকে বহু গুরুতর অসুস্থ শিশুকে রেফার করে পাঠানো হয়। অনেক ক্ষেত্রেই শিশুরা অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থায় হাসপাতালে পৌঁছয়। চিকিৎসকরা সবরকম চেষ্টা করলেও, গুরুতর অবস্থার কারণে সব শিশুকে বাঁচানো সবসময় সম্ভব হয় না।

তিনি আরও জানান, রোগীর চাপের পাশাপাশি হাসপাতালে কর্মীসংখ্যাও তুলনামূলকভাবে কম। বিশেষজ্ঞ দলটি হাসপাতালের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে। বিশেষ করে কোন কোন জায়গা থেকে শিশুদের রেফার করা হচ্ছে, রেফারের আগে কী ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল এবং হাসপাতালে পৌঁছনোর সময় তাদের শারীরিক অবস্থা কেমন ছিল—সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে।

আরো পড়ুন:  পাটনা গুলিকাণ্ডে বিপাকে 'খান স্যার', নিরাপত্তারক্ষীদের বয়ানের পর যে কোনো মুহূর্তে গ্রেপ্তারির আশঙ্কা

শনিবারের এই পর্যালোচনা দলে স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও থাকতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। শিশু মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করে ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সেই দিকেই নজর থাকবে বিশেষজ্ঞদের।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments