back to top
Monday, October 12, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeসাহিত্য সংস্কৃতিমহালয়ার আবহে বাংলায় দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি, দেবীপক্ষের অপেক্ষায় বাঙালি

মহালয়ার আবহে বাংলায় দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি, দেবীপক্ষের অপেক্ষায় বাঙালি

Sharanya Ghosh: আজ, শনিবার, ১০ অক্টোবর মহালয়া। ভোরের আকাশে চণ্ডীপাঠ, আগমনী গানের সুর আর পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণের মধ্য দিয়ে বাঙালির মনে শুরু হয়েছে দুর্গাপুজোর প্রতীক্ষা। মহালয়া শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি বাঙালির আবেগ, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

মহিষাসুরমর্দিনীর সুরে পুজোর আবাহ

মহালয়ার ভোর মানেই বাঙালির কাছে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ শোনার বিশেষ মুহূর্ত। রেডিও, টেলিভিশন কিংবা মোবাইল—মাধ্যম বদলালেও এই ঐতিহ্যের আবেদন আজও অটুট। চণ্ডীপাঠ ও আগমনী সংগীতের মাধ্যমে দেবী দুর্গার আগমনকে স্বাগত জানান অসংখ্য মানুষ।

পিতৃপক্ষের অবসান, দেবীপক্ষের সূচনা

ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, মহালয়া পিতৃপক্ষের সমাপ্তি এবং দেবীপক্ষের আগমনের প্রতীক। এই দিনে বহু মানুষ গঙ্গার ঘাটে ও অন্যান্য জলাশয়ের কাছে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ করেন। তাঁদের বিশ্বাস, এই আচার পূর্বপুরুষদের স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

দুর্গাপুজোর প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কলকাতা

মহালয়াকে কেন্দ্র করে কলকাতা ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। প্রতিমা, মণ্ডপসজ্জা, আলোকসজ্জা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ঘিরে বাড়ছে মানুষের উৎসাহ। এ বছর বাংলায় মহাষষ্ঠী ১৬ অক্টোবর থেকে দুর্গাপুজোর মূল পর্ব শুরু হওয়ার কথা।

ঐতিহ্য ও আবেগের মিলন

মহালয়া বাঙালিকে প্রতি বছর নতুন করে শিকড়ের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। শিউলির গন্ধ, ভোরের শিশির, ঢাকের শব্দ আর আগমনী গানের সুরে তৈরি হয় এমন এক আবহ, যার জন্য সারা বছর অপেক্ষা করে থাকেন বাঙালিরা।
মহালয়ার বার্তা একটাই—অশুভের বিনাশ, শুভশক্তির জয় এবং নতুন আশার সূচনা।

Author

আরো পড়ুন:  “Vande Mataram” Made Mandatory in Schools: স্কুলে বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’, নতুন সিদ্ধান্তকে স্বাগত শিক্ষা মহলের
RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments