back to top
Monday, August 24, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeশিক্ষাযাদবপুরে ছাত্র সংঘর্ষে উত্তপ্ত ক্যাম্পাস, একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ

যাদবপুরে ছাত্র সংঘর্ষে উত্তপ্ত ক্যাম্পাস, একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনগুলির সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল। দুই পক্ষের একাধিক পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা ও বহিরাগত আনার অভিযোগ তুলেছে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ছাত্র সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের ছাত্র সংসদের সাধারণ সভাকে ঘিরে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ও বচসা পরে সংঘর্ষের আকার নেয় বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং মারধরের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় দুই পক্ষের একাধিক পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ।

ঘটনার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ক্যাম্পাস এবং সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় যাদবপুর থানার সামনেও বিক্ষোভে সামিল হন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)-এর সদস্য ও সমর্থকেরা।

সংগঠনের অভিযোগ, সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাদের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, সংঘর্ষে সংগঠনের বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি নিখিল রায় গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করানো হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়েরের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের নেতৃত্বের।

তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে দেখছে বাম ও অতিবাম ছাত্র সংগঠনগুলি। তাদের পাল্টা অভিযোগ, সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে হামলা চালানো হয়। কয়েকটি ছাত্র সংগঠনের দাবি, কলা, বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের কিছু পড়ুয়াকে অরবিন্দ ভবনের ভিতরে আটকে রাখা হয়েছিল। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে ইট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগুন জ্বালানোর অভিযোগও সামনে এসেছে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী অভিযোগে ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে।

আহত পড়ুয়াদের দেখতে হাসপাতালে যান বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়। অন্যদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন নিজেদের মতো করে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ডিএসও-র পক্ষ থেকে ২০ অগস্ট ‘ধিক্কার দিবস’ পালনের ডাক দেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন:  Library Book Purchase Policy: সরকারি লাইব্রেরিতে আর চাপিয়ে দেওয়া হবে না বইয়ের তালিকা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বই কেনা নিয়েও বদল বিজেপি সরকারের

শিক্ষাঙ্গনে ফের এমন সংঘর্ষের ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা এবং ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ নিয়ে। ঘটনার জন্য কে দায়ী, তা নিয়ে এখনও দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ বিপরীত। পুলিশের তদন্ত এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments