back to top
Monday, August 17, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeকলকাতাতৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় ঋতব্রত শিবিরকে ধাক্কা, পক্ষভুক্তির আবেদন খারিজ কলকাতা হাই...

তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় ঋতব্রত শিবিরকে ধাক্কা, পক্ষভুক্তির আবেদন খারিজ কলকাতা হাই কোর্টে

তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড়। মামলায় পক্ষভুক্ত হওয়ার আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন ‘আসল তৃণমূল’ শিবির। তবে সোমবার সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানান, তৃণমূলের প্রকৃত সাংগঠনিক কর্তৃত্ব কার হাতে, সেই বিষয়টি এখনও নির্বাচন কমিশনের বিবেচনাধীন। তাই এই পর্যায়ে আদালত ওই বিতর্কে হস্তক্ষেপ করতে চায় না।

অন্যদিকে, তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মূল মামলাটি এখনও বিচারাধীন। দলের পক্ষের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আদালতে দাবি করেন, ৭ জুলাই ইডি আরও তিনটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত আটটি অ্যাকাউন্টে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমেই গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলীয় প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ চালানো হয়েছিল। তখন কোনও আপত্তি তোলা হয়নি। পরে একটি অভিযোগের ভিত্তিতে ধারাবাহিকভাবে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়, যার ফলে রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

এর জবাবে ইডির আইনজীবীরা আদালতে জানান, তৃণমূলের সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়নি। মাত্র তিনটি অ্যাকাউন্টে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং দলের অন্যান্য অ্যাকাউন্টে এখনও প্রায় ১৬৪ কোটি টাকা রয়েছে, যা দিয়ে দৈনন্দিন কার্যক্রম চালানো সম্ভব। তদন্তকারী সংস্থার আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলি সচল থাকলে অর্থ বিদেশে পাচারের আশঙ্কা ছিল, তাই প্রয়োজনীয় আইন মেনেই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

শুনানির সময় বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, নিম্ন আদালতে মামলার শুনানির সময় তৃণমূলের বর্তমান নেতৃত্বকে পক্ষভুক্ত করা হয়েছিল কি না এবং নিম্ন আদালতের কোনও বিচারকের এমন নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে কি না, যাতে নির্দিষ্ট ব্যক্তি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পরিচালনার অধিকার পান। পাশাপাশি ইডি তদন্তের ক্ষেত্রে পুলিশের রিপোর্ট নিয়েছিল কি না, সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। ইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্ধারিত অপরাধ (Scheduled Offence) -এর ক্ষেত্রে পুলিশের রিপোর্ট বাধ্যতামূলক নয়।

আরো পড়ুন:  ‘জনতার দরবার’-এ জমি দখলের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর ভাইকে ঘিরে নতুন বিতর্ক

দু’পক্ষের দীর্ঘ শুনানির পর মামলার রায় আপাতত সংরক্ষিত রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ এবং সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য এখনও অপেক্ষা করতে হবে।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments