Thursday, March 12, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিশ্রীরামকৃষ্ণকে শ্রদ্ধা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

শ্রীরামকৃষ্ণকে শ্রদ্ধা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

মানুষের সেবা করাই হলো প্রকৃত ঈশ্বর সেবা – তাঁর শেখানো এই বাণী সারাজীবন মেনে চলেছি, আগামীদিনেও এই জ্যোতির্ময়ের আশীর্বাদ মাথায় নিয়েই মানুষের পাশে থেকে আমৃত্যু কাজ করে যাব।

“যুগাবতার শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মতিথিতে তাঁকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম। বাংলার ভূমি ধন্য, তাঁর আবির্ভাবে।” বৃহস্পতিবার এক্সবার্তায় এ কথা লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শ্রীরামকৃষ্ণকে উদ্দেশ করে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “তাঁর অমৃতবাণী ও সর্বধর্ম সমন্বয়ের আদর্শ আমাদের আলোকবর্তিকা। ‘যত মত তত পথ’-এর সেই শাশ্বত শিক্ষা আমাদের মূল মন্ত্র।

মানুষের সেবা করাই হলো প্রকৃত ঈশ্বর সেবা – তাঁর শেখানো এই বাণী সারাজীবন মেনে চলেছি, আগামীদিনেও এই জ্যোতির্ময়ের আশীর্বাদ মাথায় নিয়েই মানুষের পাশে থেকে আমৃত্যু কাজ করে যাব।

তাঁর স্মৃতিধন্য দক্ষিণেশ্বর মন্দিরকে একটি আন্তর্জাতিক মানের রিলিজিয়াস ও ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমরা অনেক কিছু করেছি। পুণ্যার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য ‘রানি রাসমণি স্কাইওয়াক’ থেকে শুরু করে, মন্দির চত্বরের আলোকসজ্জা, সৌন্দর্যায়ন ও সংস্কার, নতুন জেটি সহ অনেক কিছুই করা হয়েছে। এর আগে আমি রেলমন্ত্রী থাকাকালীন দক্ষিণেশ্বর রেল স্টেশনকে কালী মন্দিরের আদলে সাজিয়ে তুলেছিলাম।

তাঁর জন্মের পুণ্যভূমি কামারপুকুর এবং সারদা মায়ের জন্মভূমি জয়রামবাটির উন্নয়নের লক্ষেও অনেক কাজ করা হয়েছে। ‘জয়রামবাটি কামারপুকুর ডেভেলপমেন্ট বোর্ড’ তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই বোর্ডকে ১০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। এছাড়া, ঠাকুর ও মায়ের আশীর্বাদ ধন্য এই পবিত্র তীর্থক্ষেত্রের পরিকাঠামো উন্নত করতে আমরা আগেই প্রায় ৮০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করেছি।

প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ৫ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকায় পর্যটন পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কামারপুকুর ব্লক প্রাইমারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মানোন্নয়ন ও গ্রামীণ হাসপাতালে বিশেষ হেলথ ইউনিট তৈরি করা হয়েছে। যাত্রী ও পর্যটকদের সুবিধার্থে প্রায় আড়াই কোটি ব্যয়ে আধুনিক বাস স্ট্যান্ড এবং একটি মনোরম ইকোট্যুরিজম পার্ক নির্মাণ করা হয়েছে। কামারপুকুর মিশনে হস্টেল বিল্ডিং তৈরি করা হয়েছে এবং জয়রামবাটির মাতৃমন্দির সংস্কারেও আমরা উদ্যোগী হয়েছি।

আরো পড়ুন:  “ভয়মুক্ত পরিবেশে সবাই কাজ করতে পারবে, সেটাই আমরা চাই”, দাবি বিজেপি-র

কামারপুকুরে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অনুরোধে ভক্তদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে আমরা ৫ তলা বিশিষ্ট একটি গেস্ট হাউস ও প্রসাদ বিতরণ কেন্দ্র তৈরি করছি। এছাড়াও বিরাট এলাকা জুড়ে একটি ওপেন পার্কিং জোন করা হচ্ছে — এই দুটি প্রকল্পে সরকারের খরচ হচ্ছে প্রায় ৫ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা।

কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের পবিত্র প্রাঙ্গণে পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের মাধ্যমে আগেই বৃহৎ পাইপলাইন ও নলকূপ বসানো হয়েছিল। এখন সেই ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে একটি নতুন গভীর নলকূপ ও পাম্প হাউস নির্মাণের কাজও আমরা সম্পন্ন করেছি।”

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments