Ankita Mondal: সম্প্রতি আমেরিকা ইরানের পরমাণু বিভাগের প্রধানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আমেরিকার সরকার জানিয়েছে, ইরান নিয়ম না মেনে পরমাণু কর্মসূচি চালাচ্ছে। তাই তারা এই কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আমেরিকার অভিযোগ, ইরান গোপনে পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। যদিও ইরান সবসময় বলে যে তারা শুধু বিদ্যুৎ এবং শান্তির কাজে পরমাণু শক্তি ব্যবহার করছে, কিন্তু আমেরিকা সেই কথা বিশ্বাস করছে না। তাদের মনে হচ্ছে ইরান মিথ্যা কথা বলছে।
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে কী হবে? এই নিষেধাজ্ঞার পর ইরানের পরমাণু প্রধান আর আমেরিকায় ঢুকতে পারবেন না। আমেরিকার কোনো ব্যাংকে তার টাকা থাকলে তা আটকে দেওয়া হবে। এবং কোনো আমেরিকান ব্যক্তি বা কোম্পানি তার সাথে কোনো রকম লেনদেন করতে পারবে না।
এটা নতুন নয়। এর আগেও আমেরিকা ইরানের অনেক কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ইরানের তেল বিক্রির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আছে। আমেরিকা চাইছে চাপ দিয়ে ইরানকে পরমাণু কর্মসূচি থেকে সরিয়ে আনতে।
তবে ইরান এই নিষেধাজ্ঞাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। ইরান সরকার বলেছে, আমেরিকা অকারণে তাদের ভয় দেখাচ্ছে। তারা তাদের কাজ চালিয়ে যাবে।এই ঘটনার ফলে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অনেক দেশ এখন এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছে। সবাই চাইছে যাতে যুদ্ধের মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি না হয় এবং আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান হয়।

Recent Comments