সোমবার অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মরদেহ নিয়ে প্রকাশ্যেই শুরু হয় রাজনৈতিক দড়ি টানাটানি। বিজয়গড়ের বাড়িতে পৌঁছল রাহুলের দেহ আসার পর উপস্থিত হন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, স্বরূপ বিশ্বাস, মহম্মদ সেলিম-সহ বিশিষ্টরা। কিন্তু তাঁর বাড়ির বাইরে প্রাক্তন অভিনেত্রী তথা বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী পৌঁছতেই শুরু অশান্তি।
অভিযোগ, পাপিয়া তাঁর বাড়ির সামনে এলে স্লোগান দেন বিজেপি সমর্থকরা। প্রতিবেশী বারণ করায় বচসা বাধে। যদিও সিপিএম নেতাকর্মীদের অনেকে নানা রাজনৈতিক ধ্বণি দিয়েছিলেন। রাহুলের বিজয়গড়ের বাড়িতে উপস্থিত হন অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যায়, তাঁর বাবা ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ।
রাহুলের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে কাটাছেঁড়া করায় সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ। তিনি লেখেন, ‘রাহুলের অকালমৃত্যুর পর যারা ওঁর রাজনৈতিক বিশ্বাসকে জড়িয়ে তাকে আক্রমণ করে ফেসবুকে পোস্ট বা কমেন্ট করছে, সেগুলো জানোয়ারের অধম।
রাহুল বামপন্থী হতেই পারে। ও কারুর পাকা ধানে মই দিতে যায়নি। ছেলেটি ভালো অভিনেতা, শক্তিশালী লেখক। কিছু কৃমি, কীটের জন্য সোশ্যাল মিডিয়াটা নোংরা হয়ে যাচ্ছে। একটা ছেলে এভাবে দুর্ঘটনায় মারা গেল, তাকে নিয়ে যারা অসভ্যতা করছে, তাদের জুতিয়ে সিধে করা উচিত। এর থেকে নরম কিছু লেখা গেল না।’’


Recent Comments