সোমবার বিজেপির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল করলেন দলের সভাপতি নীতিন নবীন। নতুন কাঠামোয় বাংলা থেকে উঠে এল উল্লেখযোগ্য একটি মহিলা নাম—বিশিষ্ট ক্যান্সার চিকিৎসক তথা অনকোলজিস্ট ড. মধুচ্ছন্দা কর। এতে সন্তোষ প্রকাশিত হয়েছে নানা মহলে।
উনিশের লোকসভা ভোটে বাংলায় বিজেপির সাফল্যের পর মুকুল রায়কে দলের সহ সভাপতি করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহরা। একুশের বিধানসভা ভোটে বিজেপি বাংলায় ৩ থেকে ৭৭-এ পৌঁছনোর পর সর্বভারতীয় সংগঠনে সেই মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল দিলীপ ঘোষকে। পূবের গুরুত্বর সেই ধারাবাহিকতা এবারও বজায় রাখল দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গ।
সেই নবীন- টিমে অভিজ্ঞতার সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মুখকে জায়গা দেওয়ার পাশাপাশি মহিলা নেতৃত্ব এবং রাজ্যভিত্তিক ভারসাম্যের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হল। নতুন সর্বভারতীয় টিমে ড. মধুচ্ছন্দা করকে জাতীয় সহ-সভাপতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় সংগঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদে বসুন্ধরা রাজের মতো পোড় নেত্রীর পাশাপাশি এবার দেখা যাবে বাংলার এই চিকিৎসক-রাজনীতিককে।
২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠন সাজাতে বড়সড় রদবদল করল বিজেপি। নতুন সর্বভারতীয় পদাধিকারী তালিকায় একদিকে যেমন অভিজ্ঞ নেতাদের উপর আস্থা রাখা হয়েছে, তেমনই গুরুত্ব পেয়েছেন মহিলা নেতৃত্ব এবং পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতের প্রতিনিধিরা।
বিশ্লেষক, বিজেপি নেতা ও বিশ্লেষক সুদীপ্ত গুহ সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, →WBJEE মেডিসিনে সেই যুগে পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় হাওয়া দিদি আজ বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভানেত্রী l অভিনন্দন ডঃ মধুছন্দা দিদি l ওঁনার দিদিও WBJEE মেডিসিনের রাজ্যে দ্বিতীয় হন।”
প্রসঙ্গত, একাধিক রাজ্যে আগামী দিনে নির্বাচন রয়েছে। সেই কথা মাথায় রেখেই সংগঠনে আঞ্চলিক ভারসাম্য এবং নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।


Recent Comments