back to top
Monday, June 22, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিবিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের ওপর কারচুপির মামলা, আদালতে প্রার্থী সংখ্যা মাত্র ৮

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের ওপর কারচুপির মামলা, আদালতে প্রার্থী সংখ্যা মাত্র ৮

পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ফলাফলের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি সরাসরি ভোট লুটের অভিযোগ এনেছিলেন এবং বলেছিলেন, এই নির্বাচন কমিশন (Election Commission) বিজেপি কমিশন। কিন্তু দিনশেষে দেখা গেল, নেত্রীর এই কঠোর বার্তার পরেও দলের অধিকাংশ পরাজিত প্রার্থী আইনি লড়াইয়ের পথে হাঁটতে নারাজ।

​নির্বাচন পরবর্তী তথ্য বলছে, তৃণমূলের পরাজিত ২১১ জন প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ৮ জন হাই কোর্টে (High Court) ইলেকশন পিটিশন (Election Petition) দায়ের করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী, ফল ঘোষণার ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে যাওয়ার সুযোগ থাকে। সেই নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর এখন প্রশ্ন উঠছে, নেত্রী যেখানে ১০০টি আসনে কারচুপির অভিযোগ করেছিলেন, সেখানে বাকি প্রার্থীরা কেন আদালতে গেলেন না?

​তৃণমূলের অন্দরের খবর অনুযায়ী, অনেক প্রার্থীই মনে করেন, ইলেকশন পিটিশন দায়ের করতে গেলে যে ধরণের অকাট্য প্রমাণের প্রয়োজন, তা তাদের হাতে নেই। এছাড়া, মামলার ক্ষেত্রে দলের পক্ষ থেকে খুব একটা সহায়তার আশ্বাস পাওয়া যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিধায়ক জানান, ” দলনেত্রী মুখে যাই-ই বলুন, সেই অনুযায়ী কাজ করা যায় না। ইলেকশন পিটিশন করতে গেলে যথেষ্ট প্রমাণ থাকা দরকার। এত প্রার্থী কি প্রমাণ সংগ্রহ করে রেখেছেন? কিছু ক্ষেত্রে অনিয়ম থাকলেও, সর্বোপরি জনতা রায় মাথা পেতে নেওয়াই ভাল।”

​পাশাপাশি, দলের অন্দরে তৈরি হওয়া দূরত্ব এবং বিদ্রোহের গুঞ্জনও এই অনাগ্রহের একটি বড় কারণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। অনেক প্রার্থীই মনে করছেন, এই মুহূর্তে ব্যক্তিগতভাবে মামলা না করাই শ্রেয়। অন্যদিকে, বিজেপি (Bharatiya Janata Party) অবশ্য তৃণমূলের এই দাবিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাদের বক্তব্য, হেরে যাওয়ার গ্লানি ঢাকতেই এই ধরণের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। উল্লেখ্য, তৃণমূলের পাশাপাশি বিজেপিরও ছয়জন প্রার্থী বিভিন্ন কেন্দ্রের ফলাফলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন।

আরো পড়ুন:  ভাঙড়ে তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লার ওপর হামলার অভিযোগ, কাঠগড়ায় আইএসএফ

​আদালতের তথ্য বলছে, পাণ্ডবেশ্বরের নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, গোপীবল্লভপুরের অজিত মাহাতো, বিনপুরের বিরবাহা হাঁসদা (Birbaha Hansda), ঝাড়গ্রামের মঙ্গল সোরেন, মানবাজারের সন্ধ্যা রানি টুডু, রাজারহাট-নিউটাউনের তাপস চট্টোপাধ্যায় এবং পটাশপুরের পীযূষকান্তি পণ্ডা সহ মাত্র আটজন প্রার্থী আইনি লড়াইয়ের পথ বেছে নিয়েছেন। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম (Nandigram) বিধানসভা কেন্দ্র থেকে পরাজিত হওয়ার পর সেই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন, যা আজও বিচারাধীন।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments