Ankita Mondal: রাজ্যে ভুয়ো চিকিৎসক কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ নিল স্বাস্থ্য দফতর। বিহারের জাল নথি দেখিয়ে পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকে রেজিস্ট্রেশন নেওয়ার অভিযোগে দুই সরকারি চিকিৎসকের চাকরি বাতিল করা হয়েছে।
অভিযুক্ত চিকিৎসকরা হলেন উত্তম মাইতি এবং শেখ ইউনুস হাসান। দুজনেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজপুর-সোনারপুর এলাকার একটি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ঘটনার সূত্রপাত ‘অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রাইভেট হসপিটাল অ্যান্ড নার্সিংহোম’ (এপিএইচএন)-এর সম্পাদক চিকিৎসক রাজীব পাণ্ডের অভিযোগ থেকে। তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনি দেখেন, পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলে রেজিস্ট্রেশনের আবেদন করতে গিয়ে ওই দুজনই বিহার মেডিক্যাল কাউন্সিলের ২০০৭ সালের একই রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৩৬৪৪২ ব্যবহার করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় তিনি বিহার কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রেজিস্ট্রেশনের কাছে ওই নথির সত্যতা জানতে চান। গত ১১ সেপ্টেম্বর বিহার কাউন্সিলের রেজিস্ট্রারের তরফে জানানো হয়, ওই দুই চিকিৎসকের নামে থাকা রেজিস্ট্রেশন শংসাপত্রের কোনও বৈধতাই নেই।
অভিযোগ, কীভাবে ভুয়ো নথি যাচাই না করেই দুজনকে পাকাপাকি রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিল পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এরপরই স্বাস্থ্য ভবনের তরফে দুই চিকিৎসককে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়। সন্তোষজনক উত্তর না পাওয়ায় তাদের চাকরি খারিজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনার পর গত ১৫ বছরে অন্য রাজ্য থেকে আসা রেজিস্ট্রেশনের নথি ফের যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছে মেডিক্যাল কাউন্সিল।

Recent Comments