back to top
Sunday, July 12, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
HomeবিনোদনUncategorizedসিন্ডিকেট ও তোলাবাজি রুখতে কড়া পদক্ষেপ! বিধানসভায় পাশ হলো ‘অ্যান্টি-গুন্ডা বিল’, কড়া...

সিন্ডিকেট ও তোলাবাজি রুখতে কড়া পদক্ষেপ! বিধানসভায় পাশ হলো ‘অ্যান্টি-গুন্ডা বিল’, কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

রাজ্যে পালাবদলের পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে এক বড়সড় পদক্ষেপ নিল নতুন সরকার। সোমবার রাজ্য বিধানসভায় পেশ ও পাশ করা হলো বহুল চর্চিত ‘অ্যান্টি-গুন্ডা বিল’ (Anti-Goonda Bill) বা সমাজবিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধী বিল। রাজ্যে প্রোমোটিং রাজ, সিন্ডিকেট সংস্কৃতি, তোলাবাজি এবং গ্যাংস্টারদের দৌরাত্ম্য চিরতরে নির্মূল করতেই এই কড়া আইন আনা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

​বিলটি পাশ হওয়ার পর বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে এই নয়া আইনের প্রাসঙ্গিকতা ও কঠোরতা নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

​”গুন্ডারাজ বরদাস্ত করা হবে না”: কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

​রাজ্যে একের পর এক পুরসভার কাউন্সিলর এবং ব্লক স্তরের নেতাদের তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারির আবহেই এই বিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সমাজবিরোধী কার্যকলাপ সংক্রান্ত এই বিলের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় বলেন:

“পশ্চিমবঙ্গের মাটি থেকে সিন্ডিকেট রাজ, প্রোমোটারদের হুমকি এবং তোলাবাজি সম্পূর্ণ স্তব্ধ করতে এই বিল আনা হয়েছে। যারা সাধারণ মানুষের শান্তিতে বাঁচার অধিকার কেড়ে নেয়, যারা সিন্ডিকেটের নামে তোলা আদায় করে, তাদের জায়গা এবার জেলেই হবে। দলমত নির্বিশেষে কোনও সমাজবিরোধী বা গুন্ডাকে রেয়াত করা হবে না।”

​মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান যে, এই আইনের মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসনকে আরও বেশি ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে, যাতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত এবং জামিন অযোগ্য ধারায় কড়া ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়। সাধারণ ব্যবসায়ী এবং সাধারণ নাগরিকদের ভয়মুক্ত পরিবেশ দেওয়াই তাঁর সরকারের মূল লক্ষ্য।

​কী আছে এই ‘অ্যান্টি-গুন্ডা বিল’-এ?

​সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নতুন আইনের পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক। এর প্রধান দিকগুলি হলো:

  • জামিন অযোগ্য ধারা: তোলাবাজি, জোরপূর্বক জমি দখল, সিন্ডিকেটের নামে হুমকি বা গ্যাং তৈরি করে অপরাধ করার ক্ষেত্রে কড়া এবং অ-জামিনযোগ্য ধারা যুক্ত করা হয়েছে।
  • দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া: এই ধরনের সমাজবিরোধী অপরাধের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠনের রূপরেখা রয়েছে।
  • সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত: বড় ধরনের তোলাবাজি বা গ্যাংস্টার সংস্কৃতির মাধ্যমে অর্জিত বেআইনি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আইনি ক্ষমতাও থাকছে প্রশাসনের হাতে।
আরো পড়ুন:  মেধা ও পরিশ্রমের জয়: জেইই মেইনসে পশ্চিমবঙ্গ টপার ভাতারের কুন্তল চৌধুরী

​বিরোধী শিবির অবশ্য এই বিলের কিছু ধারা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এবং বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে এই আইনের অপব্যবহার হতে পারে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, আইনটি কেবলই পেশাদার অপরাধী ও সমাজবিরোধীদের দমন করার জন্য তৈরি।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments