ইতিহাস বড়ই নির্মম। সে কাউকে মনে রাখে না, কেবল বর্তমানের আয়নায় অতীতের ছায়া দেখায়। কলকাতার রাজপথে হাঁটলে আজও ব্রিটিশ আমলের বিশাল সব অট্টালিকা চোখে পড়ে, গঙ্গার পাড়ে জরাজীর্ণ চিমনিগুলো আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে—যেন এক হারিয়ে যাওয়া আভিজাত্যের সাক্ষী। কিন্তু এই রোমান্টিকতার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক করুণ অর্থনৈতিক ট্র্যাজেডি।
একসময় যে বাংলাকে বলা হতো ভারতের শিল্পের ‘পাওয়ার হাউস’, আজ সেই বাংলা বিনিয়োগের তালিকায় পেছনের সারিতে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) এবং ডিপার্টমেন্ট ফর প্রমোশন অফ ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ইন্টারনাল ট্রেড (DPIIT)-এর সাম্প্রতিক তথ্য যেন আমাদের সেই রূঢ় বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) টানার ক্ষেত্রে ভারতের প্রধান রাজ্যগুলোর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ এখন একেবারে তলানিতে। শুধু তাই নয়, কেন্দ্রীয় কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রকের তথ্য বলছে, গত কয়েক বছরে হাজার হাজার কোম্পানি তল্পিতল্পা গুটিয়ে বাংলা ছেড়েছে।
কিন্তু কেন? কীভাবে এশিয়ার অন্যতম ধনী ও সমৃদ্ধশালী একটি অঞ্চল আজ অর্থনৈতিকভাবে ‘পিছিয়ে পড়া’ রাজ্যে পরিণত হলো? এটি কি শুধুই দিল্লির বঞ্চনা, নাকি নিজেদেরই ভুল নীতির মাসুল? নিউস্কোপ বাংলার এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা ডুব দেব সেই ইতিহাসের গভীরে—১৯৫০-এর স্বর্ণযুগ থেকে ২০২৫-এর এই সংকটময় মুহূর্ত পর্যন্ত।
১. বর্তমানের আয়না: বিনিয়োগে খরা ও কোম্পানিদের বিদায়
প্রথমে চোখ রাখা যাক বর্তমানের দিকে। একটি রাজ্যের অর্থনীতি কতটা শক্তিশালী, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো—বাইরের দেশ বা রাজ্যের বিনিয়োগকারীরা সেখানে টাকা ঢালতে কতটা আগ্রহী।
RBI এবং DPIIT-এর ২০২৪-২৫ সালের রিপোর্ট বলছে, ভারত যখন ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বিদেশি বিনিয়োগের মাইলফলক ছুঁয়েছে, তখন বাংলার ঝুলি প্রায় শূন্য।
মহারাষ্ট্রের দাপট: ভারতের মোট এফডিআই-এর ৩১% থেকে ৩৯% একা মহারাষ্ট্রেই ঢুকছে।
বাংলার অবস্থান: সেখানে পশ্চিমবঙ্গের ভাগ ১ শতাংশেরও কম। ২০১৯ থেকে ২০২৫—এই ছয় বছরে মহারাষ্ট্র যেখানে ২৬.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ পেয়েছে, সেখানে বাংলা পেয়েছে মাত্র ৬৬৩ মিলিয়ন ডলার।
ভয়াবহ পতন: আরবিআই-এর তথ্য বলছে, সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিকগুলোতে বাংলায় নিট এফডিআই প্রবাহে (Net FDI Inflows) প্রায় ৯৬% পতন ঘটেছে।
করুণ এক্সোডাস: ঘরের লক্ষ্মী পরদেশে
শুধু নতুন বিনিয়োগ আসছে না তাই নয়, যা ছিল তাও চলে যাচ্ছে। ২০২৪ সালে রাজ্যসভায় পেশ করা তথ্য অনুযায়ী, ২০১১-১২ থেকে ২০২৪-২৫ সালের মধ্যে মোট ৬,৬৮৮টি কোম্পানি তাদের রেজিস্টার্ড হেডকোয়ার্টার পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরিয়ে অন্য রাজ্যে নিয়ে গেছে। এর মধ্যে ২০১৯ থেকে ২০২৪—এই পাঁচ বছরেই ২২০০-এর বেশি কোম্পানি বাংলা ছেড়েছে।
কোথায় গেল এরা? মহারাষ্ট্র, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, এমনকি ছত্তিশগড় ও গুজরাটেও। টালাতলায় ব্রিটানিয়া কারখানার সাম্প্রতিক ঝাঁপ বন্ধ হওয়া যেন সেই কফিনে শেষ পেরেকটির মতো। কারণ হিসেবে কোম্পানিগুলো হয়তো “প্রশাসনিক সুবিধা”র কথা বলছে, কিন্তু আসল কারণটা সবারই জানা—পরিকাঠামোর অভাব, সিন্ডিকেট রাজের ভয় এবং ব্যবসায়িক পরিবেশের অবনতি।
২. স্বর্ণযুগ: যখন বাংলাই ছিল ভারত (১৯৪৭-১৯৬০)
আজকের এই হাহাকার বুঝতে গেলে আমাদের ফিরে তাকাতে হবে স্বাধীনতার ঠিক পরের দিনগুলোতে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগ ও মন্বন্তরের ধাক্কা সামলেও পশ্চিমবঙ্গ ছিল ভারতের শিল্পের হৃৎপিণ্ড।
পরিসংখ্যানের দাপট: স্বাধীনতার সময় ভারতের মোট শিল্প উৎপাদনের ২৪% থেকে ২৭% আসতো একা পশ্চিমবঙ্গ থেকে।
ইস্পাত ও কয়লা: ১৯৫০-৫১ সালে পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার মিলে ভারতের ৯২% লোহা ও ইস্পাত উৎপাদন করত।
কারখানার সংখ্যা: ১৯৫১ সালে বাংলায় রেজিস্টার্ড কারখানার সংখ্যা ছিল ১,৪৯৩টি, যা তৎকালীন মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের (বোম্বাই প্রেসিডেন্সি) মিলিত সংখ্যার চেয়েও বেশি।
প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের (EAC-PM) ২০২৪-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৬০-৬১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মাথাপিছু আয় ছিল জাতীয় গড়ের চেয়ে ১২৭.৫% বেশি। অর্থাৎ, সেই সময় একজন গড় ভারতীয় যা আয় করতেন, একজন বাঙালি তার চেয়ে প্রায় ২৮% বেশি আয় করতেন। বাংলা তখন গরিব ছিল না, ছিল অভিজাত।
৩. পতনের শুরু: ‘ফ্রেট ইকুয়ালাইজেশন’ বা মাসুল সমীকরণ নীতি (১৯৫২-১৯৯৩)
বাংলার এই সমৃদ্ধি অনেকের চোখের বালি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর এখান থেকেই শুরু হলো দিল্লির ‘কেন্দ্রীয় বঞ্চনা’র অধ্যায়। ১৯৫২ সালে কেন্দ্র সরকার চালু করল কুখ্যাত ‘ফ্রেট ইকুয়ালাইজেশন পলিসি’।
সহজ কথায় এর মানে হলো—কয়লা, লোহা বা ইস্পাতের মতো ভারী খনিজ সম্পদ পরিবহণের খরচ সারা দেশে সমান করে দেওয়া হলো। আগে বাংলার মাটিতে কয়লা ও লোহা পাওয়া যেত বলে এখানে কারখানা তৈরি করলে খরচ কম পড়ত। এটি ছিল বাংলার প্রাকৃতিক সুবিধা (Natural Advantage)। কিন্তু এই নীতির ফলে জামশেদপুর থেকে হাওড়ায় লোহা আনতে যা খরচ লাগত, সেই একই খরচে লোহা পৌঁছে যেত বোম্বাই বা মাদ্রাজে।
এর ফলাফল হলো ভয়াবহ:
সুবিধা হারাল পূর্ব ভারত: বাংলার ভৌগোলিক সুবিধা কেড়ে নেওয়া হলো। শিল্পপতিরা দেখলেন, কাঁচামাল যখন একই দামে পাওয়া যাচ্ছে, তখন কারখানাকে বন্দরের কাছে বা বড় বাজারের কাছে (পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতে) নিয়ে যাওয়াই লাভজনক।
শিল্পের পলায়ন: ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প বাংলা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল। ১৯৬০ থেকে ১৯৯০—এই তিন দশকে পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারত বাংলার খরচে নিজেদের শিল্প গড়ে তুলল।
১৯৯৩ সালে যখন এই নীতি প্রত্যাহার করা হলো, ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। শিল্প ও পুঁজি ততদিনে পাকাপাকিভাবে মহারাষ্ট্র, গুজরাট ও তামিলনাড়ুতে শিকড় গেড়ে ফেলেছে।
৪. নিজেদের পায়ে কুড়ুল: লাল ঝান্ডা ও ‘ঘেরাও’ সংস্কৃতি
কেন্দ্রের নীতি যদি হয় বিষ, তবে রাজ্যের নিজস্ব রাজনীতি ছিল সেই বিষের অনুঘটক। ব্রিটিশ আমল থেকেই বাংলায় শ্রমিক আন্দোলন ছিল শক্তিশালী। কিন্তু ১৯৬০-এর দশকের শেষার্ধে বামপন্থী যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে এবং পরবর্তী ৩৪ বছরের বাম জমানায় তা উগ্র রূপ ধারণ করে।
বাংলার রাজনীতি বিশ্বকে এক নতুন শব্দ উপহার দিল—’ঘেরাও’।
ম্যানেজারদের অফিসের মধ্যে আটকে রাখা, মারধর করা, এবং পুলিশকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা—এটাই হয়ে উঠল দস্তুর।
পরিসংখ্যান: ১৯৬৫ সালে ধর্মঘটের সংখ্যা ছিল ১৭৯, যা ১৯৭০ সালে বেড়ে দাঁড়াল ৬৭৮-এ।
ক্যাপিটাল ফ্লাইট: ফিলিপস ইন্ডিয়া, ব্রুক বন্ড, শ ওয়ালেস, জেকে টায়ার-এর মতো বিশাল সব কোম্পানি কলকাতা থেকে তাদের হেডকোয়ার্টার সরিয়ে নিল। কারণ একটাই—প্রাণের ভয় এবং ব্যবসার অনিশ্চয়তা।
এই সময় থেকেই বাংলার শিক্ষিত যুবসমাজ বুঝতে পারল, এ রাজ্যে আর তাদের ভবিষ্যৎ নেই। শুরু হলো মেধার পলায়ন বা ‘ব্রেন ড্রেন’, যা আজও অব্যাহত।
৫. উদারীকরণের সুযোগ হারানো (১৯৯১ পরবর্তী অধ্যায়)
১৯৯১ সালে ভারত যখন অর্থনীতির দরজা খুলে দিল (Liberalization), তখন মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ু সেই সুযোগ লুফে নিল। তারা আইটি (IT), অটোমোবাইল এবং বায়োটেকনোলজির হাব হয়ে উঠল। EAC-PM-এর রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দক্ষিণ ভারতের পাঁচটি রাজ্য মিলে দেশের জিডিপির ৩০% নিয়ন্ত্রণ করছে।
কিন্তু বাংলা?
তৎকালীন বাম সরকার কম্পিউটার ও নতুন প্রযুক্তিকে ‘শত্রু’ মনে করত। যখন হায়দরাবাদ বা বেঙ্গালুরুতে আইটি পার্ক গড়ে উঠছে, বাংলায় তখন বনধ আর ধর্মঘটের সংস্কৃতি। ১৯৯১ থেকে ২০০৩ সালের মধ্যে গুজরাটে যেখানে প্রস্তাবিত বিনিয়োগের ৫৫% বাস্তবায়িত হয়েছিল, বাংলায় তা ছিল মাত্র ৩৫%।
আজকের দিনে ওড়িশার মতো রাজ্য, যারা একসময় বাংলার চেয়ে অনেক গরিব ছিল, তারাও মাথাপিছু আয়ে বাংলাকে ছাড়িয়ে গেছে। ১৯৬০-এ জাতীয় গড়ের ১২৭.৫% থেকে কমে আজ বাংলার মাথাপিছু আয় জাতীয় গড়ের ৮৩.৭%-এ নেমে এসেছে।
৬. একবিংশ শতাব্দীর ট্র্যাজেডি: সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম
২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য যখন বুঝতে পারলেন যে শিল্প ছাড়া গতি নেই, তখন তিনি টাটা মোটরসকে সিঙ্গুরে নিয়ে আসেন। কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। রাজ্যের ভূমি নীতি এবং রাজনীতির জটিল সমীকরণে আটকে গেল ন্যানো কারখানা।
সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের আন্দোলন এবং টাটার বিদায়—গোটা বিশ্বের কাছে বার্তা দিল যে, বাংলায় বড় শিল্প করা নিরাপদ নয়। ২০১১ সালে পালাবদল হলো, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ক্ষমতায় এল। কিন্তু জমির বিষয়ে সরকারের ‘হ্যান্ডস-অফ’ নীতি বা জমি অধিগ্রহণে অনীহা বড় শিল্পের পথ আজও রুদ্ধ করে রেখেছে। সরকার এখন এমএসএমই (MSME) বা ক্ষুদ্র শিল্পের ওপর জোর দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু বড় ‘অ্যাঙ্কর ইনভেস্টর’ ছাড়া ক্ষুদ্র শিল্পও বেশিদূর এগোতে পারে না।
| সময়কাল | অবস্থা | প্রধান কারণ |
| ১৯৪৭-১৯৬০ | ভারতের শ্রেষ্ঠ শিল্পোন্নত রাজ্য | ব্রিটিশ আমলের পরিকাঠামো, খনিজ সম্পদের প্রাচুর্য। |
| ১৯৬০-১৯৯০ | পতনের শুরু | ফ্রেট ইকুয়ালাইজেশন নীতি, উগ্র শ্রমিক আন্দোলন, নকশাল আমল। |
| ১৯৯১-২০১০ | সুযোগ হারানো | উদারীকরণের সুফল নিতে ব্যর্থতা, আইটি বিপ্লব মিস করা, সিঙ্গুর ট্র্যাজেডি। |
| ২০১১-বর্তমান | স্থবিরতা ও কোম্পানি বিদায় | জমি অধিগ্রহণে অনীহা, ঋণের বোঝা, বড় শিল্পের অভাব। |
৭. বর্তমানের খতিয়ান: ঋণের বোঝা ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন
নীতি আয়োগের ২০২৫-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলার বর্তমান আর্থিক অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক:
ঋণের পাহাড়: রাজ্যের ঋণের পরিমাণ জিএসডিপির ৩৮.৪%, যা বিপদসীমার অনেক ওপরে।
আয়ের অভাব: রাজ্যের নিজস্ব কর আদায়ের ক্ষমতা অত্যন্ত কম (জিএসডিপির মাত্র ৫.১%)। অর্থাৎ, রাজ্যকে চলতে গেলে কেন্দ্রের অনুদানের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়।
বেকারত্ব: কাগজে-কলমে বেকারত্বের হার কম দেখানো হলেও, বাস্তবে রাজ্যে উচ্চমানের চাকরির (Formal Employment) আকাল। ফলে শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা দলে দলে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে।
উপসংহার: এখান থেকে ফেরার পথ কী?
এই সুদীর্ঘ বিশ্লেষণ আমাদের একটি নির্মম সত্যের সামনে দাঁড় করায়—বাংলার আজকের এই দুর্দশা কোনো এক রাতের দুর্ঘটনা নয়। এটি ১৯৫২-র ফ্রেট ইকুয়ালাইজেশন নীতির বঞ্চনা, ১৯৬০-৭০ এর উগ্র শ্রমিক আন্দোলন, এবং পরবর্তীকালের জমি-রাজনীতির এক সম্মিলিত ফলাফল।
আজ বাংলা যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে হলে প্রয়োজন আমূল পরিবর্তনের। শুধু মেলার আয়োজন বা ক্ষুদ্র শিল্পের ভরসায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন দেখা সম্ভব নয়। প্রয়োজন জমির জট খোলা, সিন্ডিকেট রাজ বন্ধ করা এবং বিনিয়োগকারীদের মনে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা।
ব্রিটানিয়ার মতো কোম্পানি যখন চলে যায়, তখন শুধু একটি কারখানা বন্ধ হয় না; বন্ধ হয় একটি প্রজন্মের স্বপ্ন। বাংলা কি পারবে তার হারানো মুকুট ফিরে পেতে? নাকি ইতিহাস বইয়ের পাতাতেই রয়ে যাবে তার স্বর্ণযুগ? উত্তর দেবে সময়, আর আগামী দিনের রাজনীতি।
