অশোক সেনগুপ্ত
পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস (এক্সিকিউটিভ) অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন অর্থাৎ ডব্লুবিসিএসইওএ-কে ‘এক্তিয়ার-বহির্ভূত’ বিবৃতির জন্য সতর্ক করল নির্বাচন কমিশন।
এসআইআর তালিকায় বিচারাধীন (আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন) হিসেবে চিহ্নিত নামগুলির জন্য নির্বাচন কমিশন ERO/AERO-দের দায়ী করেছে বলে অভিযোগ করেছে ডব্লুবিসিএসইওএ। এ সম্পর্কে কমিশনের বক্তব্য, কমিশন যা বলেনি, সেটিকে কমিশনের বক্তব্য বলে চালানোর চেষ্টা করেছে ডব্লুবিসিএসইওএ।
ডব্লুবিসিএসইওএ এক্স হ্যান্ডলে অভিযোগ করেছে, “সম্প্রতি প্রকাশিত ভোটার তালিকায় যে নামগুলি অন্তর্ভুক্ত করা যায়নি, সেগুলোর দায় কমিশন ERO/AERO-দের ওপর চাপানোর চেষ্টা করেছে। এটি সম্পূর্ণ অসত্য। ERO/AERO-রা এসআইআর (SIR) চলার সময় নিরলসভাবে কাজ করেছেন, শুনানি পরিচালনা, নথি আপলোড এবং যুক্তিসঙ্গত আদেশ জারি করছেন।
ERO/AERO-দের নিস্পত্তি করা বহু মামলা ও শুনানী ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত মাইক্রো পর্যবেক্ষক এবং রোল পর্যবেক্ষকরা কোনও পর্যবেক্ষণ এবং মন্তব্য ছাড়াই দ্বিমত পোষণ করে ফেরত পাঠিয়েছেন। যার ফলে বিপুল সংখ্যক নাম ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দিনরাত কাজ করা ERO/AERO-দের উপর দোষ চাপানোর এই কাজটি একদিকে অবমাননাকর। অন্যদিকে, তাদের মনোবলকেও বিরূপভাবে প্রভাবিত করেছে।”
এর প্রেক্ষিতে পাল্টা প্রতিবাদ জানিয়ে নির্বাচন কমিশন বিবৃতিতে মূল বিষয়ের অপব্যাখ্যার অভিযোগ তুলেছে। এক্স হ্যান্ডেলে কমিশন লিখেছে, “কোথাও বলা হয়নি যে, সমস্ত মামলা ERO-দের সিদ্ধান্তহীনতার কারণে হয়েছে। বিপুল সংখ্যক মামলা বিচারাধীন থাকায় সেগুলো বিচারের জন্য পাঠানো হয়েছিল। WBCSEOA-এর উচিত তাদের সনদ এবং এক্তিয়ার অনুসারে তাদের কার্যক্রম কঠোরভাবে সীমাবদ্ধ রাখা। আইনগত কাঠামোর অধীনে কাজ করছে কমিশন। এই কার্যক্রমে তারা হস্তক্ষেপ করতে পারে না, করা উচিতও নয়। তারা ECI-তে ডেপুটেশনের অধীনে থাকা কর্মকর্তাদের মুখপাত্রের ভূমিকা নিতে পারে না।

