back to top
Monday, June 15, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeব্যবসা ও অর্থনীতিLosses in Boro Cultivation: বোরো চাষে ক্ষতি, সরকারি সহায়তার দিকে মুখিয়ে কৃষকেরা

Losses in Boro Cultivation: বোরো চাষে ক্ষতি, সরকারি সহায়তার দিকে মুখিয়ে কৃষকেরা

নিজস্ব সংবাদদাতা: জমিতে বোরো ধানের রোপা লাগানোর পর বাড়িতে ধান এনে প্রতি এক বিঘা জমিতে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা ক্ষতি দেখছেন কৃষকেরা। এমনটাই জানালেন হিলি ব্লকের বিভিন্ন এলাকার প্রান্তিক বোরো ধান চাষীরা। প্রকৃতির আবহাওয়া অনুকূলে না থাকার কারণে এবারে প্রতি এক বিঘা (২৮ শতক) হিসাব করে দেখার পর লাভের অংশ কিছুতেই আর বাড়ি ঢুকছে না বলে অভিযোগ কৃষকদের। একদিকে নিম্নবর্তী এবং সাধারণ কৃষকদের কীটনাশক ঔষধ থেকে শুরু করে রাসায়নিক সারের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ার কারণে কোনভাবেই লাভের আসা দেখতে পাচ্ছেন না বোরো ধান চাষীরা। অন্যান্য বছরের চেয়ে এবারে অনেকটাই ধানের ফলন কমে যাওয়ার কারণে এমন ক্ষতির আশংকা দেখছেন বলে কৃষকদের অভিমত।

এবারে এখনো বোরো ধানের জমিতে প্রচুর পরিমাণে জল আটকে থাকার কারণেই শ্রমিক বা যন্ত্র চালিত গাড়ি দিয়ে ধান মাড়াই করে বাড়িতে আনার পরেই বিঘা প্রতি ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতির হিসাব দেখছেন কৃষকেরা। তাঁদের দাবি, রোপা লাগানোর শুরু থেকে প্রতি এক বিঘা জমিতে চাষে খরচ হয়েছে বারোশো টাকা। ধানের চারা গাছ তৈরিতে লেগেছে সাতশো টাকা। রোপা লাগানোয় খরচ হয়েছে ১৮০০ টাকা। রাসায়নিক সার আনুমানিক এক হাজার টাকা। আগাছা তথা ঘাস পরিষ্কার করানোর জন্য বারোশো টাকা এবং সর্বশেষে ধান কাটার জন্য বিঘা প্রতি ২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

সব মিলিয়ে হিসাব করে বাড়িতে ধান তোলার পর কৃষকরা দেখছেন যে লাভের লাভ এইবারের বোরো ধান চাষের ক্ষেত্রে কিছুই থাকছে না। এই পরিস্থিতিতে মাথায় হাত বোরো ধান চাষীদের। এই পরিস্থিতিতে কৃষকদের ক্ষতি এড়াতে রাজ্য সরকারের কাছে দ্রুত ন্যায্য মূল্যে ধান কেনার দাবি উঠেছে।

Author

আরো পড়ুন:  LPG Cylinder Crisis: গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে হাহাকার সর্বত্র, পাম্পে নেই সিএনজি, আগামীতে কোন অনিশ্চয়তা? আশঙ্কা বাড়ছেই
RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments