back to top
Wednesday, April 29, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিAssembly Election 2026: মে-র আগে স্বস্তি নেই! বাস সঙ্কটে নিত্যযাত্রীদের দুর্দশা

Assembly Election 2026: মে-র আগে স্বস্তি নেই! বাস সঙ্কটে নিত্যযাত্রীদের দুর্দশা

পশ্চিমবঙ্গে চলতি বিধানসভা নির্বাচনের আবহে তীব্র বাস সঙ্কটে ভুগছেন নিত্যযাত্রীরা। নির্বাচনী কাজে বিপুল সংখ্যক সরকারি ও বেসরকারি বাস অধিগ্রহণ করায় রাস্তায় বাসের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। ফলে অফিসযাত্রী, ছাত্রছাত্রী-সহ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতে চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট পরিচালনার জন্য প্রায় আড়াই হাজার বেসরকারি বাস নেওয়া হয়েছে। এই বাসগুলি বিভিন্ন জেলায় ভোটকর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনীর কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে শহর ও শহরতলির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রুটে বাস পরিষেবা কার্যত ভেঙে পড়েছে।

২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলেও পরিস্থিতির বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। কারণ সামনে রয়েছে দ্বিতীয় দফার ভোট, যা আগামী বুধবার অনুষ্ঠিত হবে। এর পরেই রয়েছে ৪ মে ভোটগণনা। ফলে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাসের স্বাভাবিক পরিষেবা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।বাসের সংখ্যা কমে যাওয়ায় যাত্রীদের বিকল্প হিসেবে অটো, ট্যাক্সি এবং অ্যাপ-ভিত্তিক গাড়ির উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। তবে সেখানেও অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠছে। অন্যদিকে ট্রেন ও মেট্রো পরিষেবায় যাত্রীসংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে যাত্রীদের।

বাসমালিক সংগঠনগুলির দাবি, প্রশাসনের নির্দেশ মেনেই নির্বাচনের স্বার্থে বাস দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁদের একাংশের বক্তব্য, মে মাসের প্রথম সপ্তাহের আগে পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা খুবই কম।নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ, প্রায় প্রতি নির্বাচনের সময়ই এই সমস্যা দেখা দিলেও বিকল্প পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ দেখা যায় না। তাঁদের মতে, অন্তত গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলিতে সীমিত সংখ্যক বাস চালু রাখার ব্যবস্থা করা উচিত ছিল।এ প্রসঙ্গে পরিবহণ দফতরের বক্তব্য, নির্বাচন একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এবং তা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করাই অগ্রাধিকার। তবে যাত্রীদের সমস্যার বিষয়টিও নজরে রাখা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।

সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসের নেতা টিটু সাহা জানান, দ্বিতীয় দফার ভোট মিটে যাওয়ার পর কিছু বাস ফেরত দেওয়া হতে পারে। তবে তাতেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে না বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।সব মিলিয়ে, ভোটপর্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যের গণপরিবহণে স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা কম। ফলে আগামী কয়েক দিন নিত্যযাত্রীদের এই দুর্ভোগ সঙ্গী করেই চলতে হবে।

আরো পড়ুন:  মুর্শিদাবাদে অভিষেকের ‘তিন এজেন্সি’ তত্ত্ব, বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট ভাগের অভিযোগ

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments