শেষ হলো দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী প্রচার। সোমবারই ছিল প্রার্থীদের জনসংযোগ ও প্রচারের শেষ দিন। আগামী ২৯ শে এপ্রিল রবিবার শুরু হবে দ্বিতীয় দফার ভোট। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে ৮টি নির্বাচনী জেলার মধ্যে মোট ১৪২টি আসনে ২৯ শে এপ্রিল ভোট হতে চলেছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুসারে এই দফায় দক্ষিণবঙ্গের বিশাল অংশ জোটে ভোট গ্রহণ হবে।
জেলাগুলি হল:- ১) নদিয়া, ২) উত্তর ২৪ পরগনা, ৩) দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ৪) হাওড়া, ৫) হুগলি , ৬) পূর্ব বর্ধমান , ৭) কলকাতা উত্তর, ৮) কলকাতা দক্ষিণ ।
এই আটটি জেলা জুড়েই চলবে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ।
সুষ্ঠুভাবে ভোট পরিচালনার জন্য কমিশন মোট ৪১,০০১টি বুথ তৈরি করেছে। এর মধ্যে ৩৯,৩০১টি প্রধান কেন্দ্র এবং ১,৭০০টি অক্সিলিয়ারি বা সহায়ক কেন্দ্র।শহরাঞ্চলে থাকছে ১৪,২১৮টি বুথ এবং গ্রামাঞ্চলে ২৫,০৩৮টি। বিশেষ নজর কাড়ছে মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত ৮৮৪৫টি বুথ।এছাড়াও ২৫৮টি মডেল বুথ এবং ১৩টি বুথ বিশেষভাবে সক্ষম কর্মীদের দ্বারা পরিচালিত হবে।প্রতিটি কেন্দ্রে গড়ে ৭৮৫ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
এই দফায় মোট ১,৪৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে নারী শক্তির প্রতিনিধিত্ব করছেন ২২০ জন। আয়তনের নিরিখে দেখতে গেলে সবচেয়ে বড় নির্বাচনী কেন্দ্র হলো কল্যাণী এবং সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম নির্বাচনী কেন্দ্র জোড়াসাঁকো।
একইভাবে ভোটারের বিচারে সবচেয়ে বড় নির্বাচনী কেন্দ্র দাঁড়িয়েছে চুঁচুড়া এবং সবচেয়ে ছোট নির্বাচনী কেন্দ্র ভাটপাড়া।
প্রার্থীর সংখ্যার ভিত্তিতে দেখতে গেলে ভাঙড় কেন্দ্রে সর্বোচ্চ প্রার্থীর ১৯,যেখানে গো ঘাটে লড়াই হচ্ছে মাত্র ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার প্রবীণ ও নবীন—উভয় ভোটারের উপস্থিতিই চোখে পড়ার মতো।অবাক করার মতো বিষয় হলো, এই দফায় ৩,২৪৩ জন ভোটারের বয়স ১০০ বছরের বেশি।গণতন্ত্রের উৎসবে প্রথমবার শামিল হতে চলেছেন ১৮-১৯ বছর বয়সী ৪ লক্ষ ১২ হাজার ৬৬৮ জন তরুণ ভোটার।এছাড়াও ১ লক্ষ ৯৬ হাজার ৮০১ জন ভোটার ৮৫ ঊর্ধ্ব এবং ৫৭,৭৮৩ জন বিশেষভাবে সক্ষম ভোটার তাঁদের রায় দেবেন। ৩৯,৯৬১ জন রয়েছেন সার্ভিস ভোটার হিসেবে।
আগামী বুধবার ২৯ এপ্রিল এই বিপুল সংখ্যক ভোটারের রায়েই নির্ধারিত হতে চলেছে আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণ।


Recent Comments