back to top
Wednesday, October 14, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeশিক্ষাবিজ্ঞানের পাঠ্যক্রম যুগোপযোগী হোক, নিদান অভিজ্ঞ বিজ্ঞানীর

বিজ্ঞানের পাঠ্যক্রম যুগোপযোগী হোক, নিদান অভিজ্ঞ বিজ্ঞানীর

রাজ্যের কলেজে–কলেজে এ বারও বিজ্ঞানের বিপুল সংখ্যক আসন ফাঁকাই থাকতে চলেছে। তাতে হতাশ নন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, তথা ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইন্সটিট্যুটের অর্থনীতি বিভাগের অতিথি অধ্যাপক বিকাশ চক্রবর্তী। তবে ঘুরে দাঁড়ানোর দাওয়াই দিয়েছেন।

স্নাতকে রাজ্যের ৪৬০টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুযোগ পেয়েও প্রথম দফায় ভর্তিই হলেন না ৮৫ হাজারেরও বেশি ছাত্রছাত্রী। তার চেয়েও উদ্বেগের, কলেজে–কলেজে অনার্সে যে ১০টি বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ছাত্রছাত্রীরা ভর্তি হয়েছেন, তার মধ্যে বিজ্ঞানের কোনও সাবজেক্ট নেই! গত জুলাই মাসের এই ছবি, বিশেষত বিজ্ঞানের নানা বিষয়ে এই পরিসংখ্যানে বিস্মিত শিক্ষা প্রশাসকরা।

অক্সফোর্ডের প্রাক্তনী ও সাহা ইন্সটিট্যুট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের প্রাক্তন অধিকর্তা অধ্যাপক বিকাশ চক্রবর্তী শুক্রবার সন্ধ্যায় কলকাতায় ইন্ডিয়ান সায়েন্স নিউজ অ্যাসোসিয়েশন (‘ইসনা’) আয়োজিত ষষ্ঠ বিশ্বপতি মুখার্জি স্মারক বক্তৃতায় এক আলোচনাসভায় জানালেন এ ব্যাপারে সমস্যা ও আশাবাদের কথা।

তিনি বলেন, “এত পড়ুয়া! সে তুলনায় কাজ কোথায়? ভবিষ্যতের কথা ভেবে পাঠ্যক্রমকে যুগের উপযোগী করতে হবে। যা ছাড়া উৎপাদকদের চাহিদা মাথায় রেখে করতে হবে প্রশিক্ষণপর্ব।” সুযোগ বেশি থাকায় বিজ্ঞানের বহু পড়ুয়া বিদেশ, বা ভিনরাজ্যে চলে যাচ্ছে।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ বলেন, ‘বিজ্ঞানের তিনটি বিষয়ে অনার্সে ভর্তির হার বৃদ্ধির আশু আশা নেই। কারণ, বহু ছাত্রছাত্রীই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সঙ্গেই নিট–এ বসছেন। কিন্তু তাতে সাফল্য না এলে দু’তিন বছর নিট–এ বসছেন। আবার জয়েন্ট মেন ও অ্যাডভান্সে প্রথম দফায় পছন্দের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (আইআইটি, এনআইটি) ও বিষয়ে সুযোগ না পেলে তাঁরা পরের বার ফের পরীক্ষা দিচ্ছেন। মেয়েরা আবার নার্সিংয়ে চলে যাচ্ছেন। আমাদের রাজ্যে বিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা একমাত্র ঘুরে দাঁড়াতে পারে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ পরীক্ষা নিয়মিত হলে।’

Author

আরো পড়ুন:  ভর্তি বন্ধ যাদবপুর-প্রেসিডেন্সিতে, বিপাকে হাজার হাজার পড়ুয়া
RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments