Susmita Das: দীর্ঘ ছ’মাসের সংঘাতের পর পশ্চিম এশিয়ার দুই দেশের মধ্যে ফের আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিক্স সম্মেলনের মঞ্চে দুই দেশের প্রতিনিধিদের বক্তব্য এবং যৌথ বিবৃতিতে দেওয়া বার্তা সেই সম্ভাবনাকেই কিছুটা উসকে দিয়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও সংঘাতের আবহে সরাসরি আলোচনার পথ খুলতে পারে কি না, এখন সেই দিকেই নজর কূটনৈতিক মহলের।
সম্মেলনে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। সংঘাতের অবসান, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং কূটনৈতিক উপায়ে সমস্যার সমাধানের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়। দুই দেশের পক্ষ থেকেই বিবৃতিতে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ইঙ্গিত মিলেছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। যদিও এখনও সরাসরি দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু কূটনৈতিক ভাষায় পরিবর্তনকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
গত কয়েক মাসের সংঘাতের ফলে পশ্চিম এশিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবনেও গভীর প্রভাব পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আন্তর্জাতিক মহল বারবার সংযম এবং আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিক্সের মতো বহুপাক্ষিক মঞ্চে আলোচনার সম্ভাবনার ইঙ্গিত নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের দরজা খুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে দুই দেশের মধ্যে আস্থার ঘাটতি এবং দীর্ঘদিনের বিরোধ এখনও বড় বাধা। ফলে বিবৃতির বার্তা বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন। সরাসরি বৈঠক, আলোচনার সূচনা বা সংঘাত কমানোর মতো কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। আপাতত ব্রিক্স সম্মেলনের বার্তাকে সম্ভাব্য কূটনৈতিক অগ্রগতির একটি প্রাথমিক ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছে আন্তর্জাতিক মহল।

Recent Comments