Ankita Mondal: ভোট চুরি এবং SIR বিতর্কে ফের উত্তাল রাজধানী। সোমবার মান্ডি হাউস থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত মিছিল করল INDIA জোট। নেতৃত্বে রাহুল গান্ধী, সঙ্গে অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদব, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মল্লিকার্জুন খাড়গেরা।
বিকেল ৪টে নাগাদ মান্ডি হাউস থেকে মিছিল শুরু হয়। স্লোগান ছিল – “ভোট চোরি বন্ধ করো, SIR বন্ধ করো, জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা দাও”। মিছিলে যোগ দেন আইনজীবী, পড়ুয়া, নাগরিক সমাজ এবং CJP-র কর্মীরা।
কিন্তু ভগবান দাস রোডে, সুপ্রিম কোর্ট থেকে প্রায় ৬০০ মিটার দূরে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকে দেয়।
মিছিল আটকে যাওয়ায় রাহুল গান্ধীর আইনি টিম সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করে। পিটিশনে ১১ জন বিরোধী নেতা সই করেছেন।
তিনটি মূল দাবি:
১. মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ।
২. ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করা।
৩. গণতান্ত্রিক কণ্ঠস্বরের উপর পুলিশি দমন বন্ধ করা এবং SIR-এ ভোটার ডিলিশনের ফাইল প্রকাশ করা।
রাহুল গান্ধী লিখেছেন, “আগামীকাল আমরা ভারতীয় হিসেবে সুপ্রিম কোর্টে মিছিল করব, দল, লিঙ্গ, জাতি, সম্প্রদায়ের ঊর্ধ্বে উঠে। দেশের তরফে প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি দেব।”
এর আগে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বিরোধী নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকার করায় এই মিছিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মমতা না থাকায় মিছিলের সামনের সারিতে দেখা গেল কুণাল ঘোষ, দোলা সেন, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও প্রাক্তন IPS হুমায়ুন কবীরকে। রুট আটকে দেওয়ার পরেও দমে না গিয়ে রাজাবাজারেই সভা শুরু করেন তাঁরা।
কালীঘাটের বক্তব্য, “শুভেন্দুর কথা মতো বাহিনী নামিয়ে মিছিল আটকানো হয়েছে, এটা কাপুরুষের রাজনীতি।”
অর্থাৎ, একদিকে দিল্লিতে আটক মমতা, অন্যদিকে কলকাতায় তাঁর অনুপস্থিতিতে খাঁ খাঁ করছে ৩০বি, আর ময়দান সামলাচ্ছেন কুণাল-দোলারা।

Recent Comments