অশোক সেনগুপ্ত

কলকাতায় দেখার মতো সুন্দর জিনিস অনেক। তার অন্যতম এটি। রাধা-কৃষ্ণর এই মন্দির ১৯৪০ সালে নন্দলাল করুরি ও সুহাসিনী দেবী প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে প্রধানত রাসবিহারী জিউ ও রাসেশ্বরী দেবী পূজিত হন।


কিভাবে যাবেন?
মেট্রো রেলে শ্যামবাজার স্টেশনে নামবেন। দিক্ষিণ দিক থেকে আসা ট্রেনের শেষদিকের কামরায় উঠলে নিকটবর্তী সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে বার হলে দেখবেন মনীন্দ্র চন্দ্র কলেজ। ওই স্টেশন ও কলেজের মাঝ দিয়ে রামকান্ত বোস স্ট্রিট। মিনিট ৭ হাঁটলে বাঁদিকে ১৪ নম্বর।

৭ গিরিশ অ্যাভিনিউয়ে বলরাম (বোসের) মন্দিরের ঠিক বিপরীত দিকের রাস্তা দিয়েও ঢুকতে পারেন। সেক্ষেত্রে মন্দিরটি পড়বে ডান দিকে।

কখন যাবেন?
ঢোকার সময়: সকাল ৮:৩০ থেকে দুপুর ১২:০০ এবং বিকাল ৫:০০ থেকে রাত ৮:৩০। মূল মন্দিরের কোলাপসিবল গেট বন্ধ থাকলেও দোলনায় বসা রাধা-কৃষ্ণের বিগ্রহ দেখতে পাবেন। ঠিক পাশেই ওদের বিছানা। দিনভর অনেকে এসে প্রণাম জানিয়ে যান।

স্থাপত্য:
দৃষ্টিনন্দন নবরত্ন শৈলীতে নির্মিত। চমৎকার রক্ষণাবেক্ষণ।

বিশেষ দিন—
অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে হয় অন্নকূট উৎসব। তিনশো রকমেরও বেশি ভোগ নিবেদন করা হয় কৃষ্ণকে। বিশেষ ওই দিনে মন্দিরে ভিড় করেন অসংখ্য ভক্ত। অন্ন মানে ভাত, আর কূট মানে পর্বত। অন্নের পর্বতের ওপর বিরাজ করছেন শ্রীকৃষ্ণ। রথযাত্রার দিনেও প্রচুর ভিড় হয়। বেশ উঁচু রথ। আচ্ছাদিত অবস্থায় ছাউনির নিচে বছরভর থাকে মন্দির চত্বরেই।


Recent Comments