back to top
Wednesday, May 13, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতি‘তৃণমূলের বিসর্জন, বাঁচতে চাইলে বিজেপি’: ভোটের শেষলগ্নে হুঙ্কার শমীক ভট্টাচার্যের

‘তৃণমূলের বিসর্জন, বাঁচতে চাইলে বিজেপি’: ভোটের শেষলগ্নে হুঙ্কার শমীক ভট্টাচার্যের

আগামী ২৯শে এপ্রিল রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। তার আগে প্রচারের শেষ দিনে আজ মুরলীধর সেন লেনে বিজেপির রাজ্য সদর দফতরে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন দলের রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।

‘ডবল ইঞ্জিন’ ও শ্যামাপ্রসাদের আদর্শশমীক ভট্টাচার্য এদিন দাবি করেন, “গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর—সর্বত্রই ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পুণ্যভূমিতে তাঁরই আদর্শের ভিত্তিতে সরকার গঠিত হবে।” বিগত কয়েক দশকের মধ্যে রাজ্যে এমন ‘ভয়হীন’ ও ‘রক্তপাতহীন’ নির্বাচন বিরল বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন যে প্রথম দফার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট সাধারণ মানুষের মনে উৎসাহ ও সন্তোষ তৈরি করেছে।

২৯শে এপ্রিল রাজ্যের ১৪২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। শমীক ভট্টাচার্যের মতে, “মানুষের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং কথা বলার ধরন দেখে যে পরিবর্তনের আভাস পাচ্ছি, তা আমার ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে কখনও দেখিনি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ভবানীপুর থেকে শুরু করে দার্জিলিং এবং ডায়মন্ড হারবার—সর্বত্রই মানুষ বিজেপি প্রার্থীকে দু’হাত তুলে সমর্থন জানাচ্ছেন।

শাসকদলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে শমীক ভট্টাচার্যের বলেন, “আকাশ নবান্নে ভেঙে পড়তে পারে, গঙ্গার জল রাইটার্স বিল্ডিংয়ের দোতলায় উঠে যেতে পারে, এমনকি একেনবাবুর মাথায় চুলও গজাতে পারে—কিন্তু তৃণমূল আর ক্ষমতায় ফিরবে না।” তাঁর দাবি, এবারের নির্বাচন আসলে ‘জনতা বনাম মমতা’।

তিনি বিজেপির তরফে নতুন স্লোগান তুলে ধরেন — ‘নির্বাচন ২০২৬: তৃণমূলের বিসর্জন; বাঁচতে চাইলে বিজেপি।’ শমীকবাবু বলেন, তৃণমূলের এই নির্বাচন আসলে ‘মা-মাটি-মানুষ’-এর বিরুদ্ধে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, বিজেপি ক্ষমতায় এলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, শিল্প ও সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবন এবং ফুটবল সহ খেলাধুলার জগতকে কলুষমুক্ত করা হবে। সেই সঙ্গে বাঙালির মনস্তত্ত্বকেও ক্ষতবিক্ষত অবস্থা থেকে সারিয়ে তোলা হবে।

দ্বিতীয় দফার ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু এলাকায় অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে, তবে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এর জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান এবং মানুষকে নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। এমনকি ডায়মন্ড হারবারের মতো তথাকথিত ‘দুর্ভেদ্য দুর্গ’ মানুষ ভেঙে দিচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

আরো পড়ুন:  জনবিন্যাস কাঠামো দ্রুত পরিবর্তনে গভীর শঙ্কা হিমন্ত বিশ্বশর্মার

প্রচার শেষে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “ভবানীপুর, দমদম বা বরানগর—যেখানেই আমরা যাচ্ছি, মানুষ দু’হাত তুলে সমর্থন দেখাচ্ছেন।” কর্মসংস্থান ও পশ্চিমবঙ্গকে বদলে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দেওয়ার আবেদন জানান তিনি। সবশেষে তিনি বলেন, প্রচার চলাকালীন তাঁদের কোনও বক্তব্যে কেউ আঘাত পেয়ে থাকলে দল তার জন্য আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments