back to top
Monday, August 17, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
HomeকলকাতাCentre of Excellence in Tripura প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোভারত সরকার

Centre of Excellence in Tripura প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোভারত সরকার


এক্সেলেন্স সেন্টার ও ইনোভেশন হাব প্রতিষ্ঠার জন্য আইআইটি খড়্গপুর, ত্রিপুরা সরকার এবং সেনরিসা টেকনোলজিস ত্রিপাক্ষিক মউ (MoU) স্বাক্ষর করল

ত্রিপুরায় একটি এক্সেলেন্স সেন্টার ও ইনোভেশন হাব (Centre of Excellence & Innovation Hub) প্রতিষ্ঠার জন্য ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আইআইটি) খড়্গপুর, ত্রিপুরা সরকারের তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ এবং সেনরিসা টেকনোলজিস লিমিটেড একটি ঐতিহাসিক ত্রিপাক্ষিক সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর করেছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য গবেষণা, উদ্যোক্তা তৈরি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতাকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করা।

ডেস্টিনেশন ত্রিপুরা বিজনেস কনক্লেভ ২০২৬ (Destination Tripura Business Conclave 2026) চলাকালীন এই মউ স্বাক্ষরিত হয়, যার ফলে, রাজ্যে প্রযুক্তি-চালিত প্রবৃদ্ধি এবং জ্ঞান-ভিত্তিক উন্নয়নে গতি আনতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকার ও শিল্পকে একসঙ্গে নিয়ে আসার একটি সহযোগিতামূলক প্ল্যাটফর্ম তৈরির ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ চিহ্নিত করল এই চুক্তি স্বাক্ষর।

আইআইটি খড়্গপুরের নির্দেশক অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী, সেনরিসা টেকনোলজিস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার শ্রী কুমার পি. সাহা এবং ত্রিপুরা সরকারের তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের নির্দেশক শ্রী জেয়া রাগুল গেশান বি. এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ভারত সরকারের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. ভি. অনন্ত নাগেশ্বরন, ত্রিপুরা সরকারের মুখ্য সচিব শ্রী জীতেন্দ্র কুমার সিনহা (আইএএস), ত্রিপুরা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য এবং তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্রী কিরণ গিট্টি (আইএএস) এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

প্রস্তাবিত এক্সেলেন্স সেন্টার ও ইনোভেশন হাবটি পরবর্তী প্রজন্মের শিক্ষা, উন্নত গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার, ডিপ টেকনোলজি, ডিজিটাল রূপান্তর, স্টার্টআপ ইনকিউবেশন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং শিল্প-চালিত উদ্ভাবনের প্রসারে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করবে। ত্রিপুরা এবং বৃহত্তর উত্তর-পূর্ব ভারতে একটি শক্তিশালী প্রযুক্তি পরিকাঠামো গড়ে তোলার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষাগত গবেষণা ও শিল্প ক্ষেত্রে প্রয়োগের মধ্যে থাকা ব্যবধান দূর করার জন্য এই সেন্টারটির পরিকল্পনা করা হয়েছে।

আরো পড়ুন:  সুদীপকে ঘিরে তৃণমূলে বিতর্ক তীব্র, সরব মহুয়া ও সাগরিকা

এই যৌথ সহযোগিতামূলক পদক্ষেপ শিক্ষার্থী, গবেষক, স্টার্টআপ, উদ্যোক্তা এবং শিল্প পেশাদারদের জন্য সুযোগ তৈরি করতে আইআইটি খড়্গপুরের শিক্ষাগত ও গবেষণামূলক উৎকর্ষ, ত্রিপুরা সরকারের নীতিগত সহায়তা এবং সেনরিসা টেকনোলজিস লিমিটেডের প্রযুক্তিগত দক্ষতার সুবিধা গ্রহণ করবে।

পাশাপাশি, এই সেন্টারটি উদীয়মান প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, ডিপ টেকনোলজি এবং ডিজিটাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে গবেষণা ও উদ্ভাবনের সুবিধা প্রদান করবে। দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ প্রযুক্তিগত কর্মী বাহিনীকে শক্তিশালী করতে এটি বিশেষ প্রশিক্ষণ, শিল্পের অংশগ্রহণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সহযোগিতামূলক গবেষণার ওপরও জোর দেবে।

এই উদ্যোগের একটি প্রধান উদ্দেশ্য স্টার্টআপগুলিকে ইনকিউবেশন সহায়তা, মেন্টরশিপ, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং আরও শক্তিশালী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পের সংযোগ প্রদানে উদ্ভাবন-চালিত উদ্যোক্তা ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করা।

আসন্ন সামাজিক ও শিল্প ক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জগুলির সমাধান করার সঙ্গে সঙ্গে অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে এমন পরিমাপযোগ্য প্রযুক্তিগত সমাধানের বিকাশকে উৎসাহিত করার লক্ষ্য-ও রয়েছে এই সেন্টারের।

এই অংশীদারিত্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ফ্রন্টিয়ার প্রযুক্তির অগ্রগতিগুলি যাতে দায়িত্বশীলভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় এবং জনকল্যাণ, উদ্ভাবন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে অর্থপূর্ণ অবদান রাখতে সমর্থ হয় এই অংশীদারিত্ব সেটি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ একটি যৌথ প্রতিশ্রুতিরও প্রমাণ।
এই উপলক্ষে, ত্রিপুরাকে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং জ্ঞান-ভিত্তিক উন্নয়নের একটি উদীয়মান গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দূরদর্শী নেতৃত্বের জন্য আইআইটি খড়্গপুর ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ড.) মানিক সাহার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চল জুড়ে উদ্ভাবন ও প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে মাননীয় কেন্দ্রীয় উত্তর-পূর্ব অঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী জ্যোতিরাদিত্য এম. সিন্ধিয়া এবং উত্তর-পূর্ব অঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রকের (MDoNER) ধারাবাহিক সহযোগিতার কথাও এই প্রতিষ্ঠানটি স্বীকার করেছে।

এক্সেলেন্স সেন্টার ও ইনোভেশন হাবের প্রতিষ্ঠা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-সরকার-শিল্পের মধ্যে অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এবং এটি ত্রিপুরা ও উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে গবেষণা, উদ্যোগপতি তৈরি, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি-নির্ভর উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন:  অধিকারের লড়াইয়ে নেই আর ভয়, বকেয়া ডিএ-র ঐতিহাসিক জয়!

SSS/PK/Kol/16.7.26…

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments