আমরা তো হারিনি’, সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কাছে হেরেও ইস্তফায় নারাজ তিনি। এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানালেন রাজ্য বিজেপি-র প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার।
বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি জানান, এই ধরনের বক্তব্য পরাজয় মেনে নিতে না পারার হতাশারই প্রতিফলন। ভারতীয় জনতা পার্টি সংবিধান ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাস রেখে আগামী দিনেও পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সেবায় অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে।
‘কেন পদত্যাগ করব? তৃণমূলনেত্রীর দাবি, ‘ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্ন কেন উঠছে? জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে।’ এই মন্তব্যের ব্যাপারে দেবজিৎ সরকার জানিয়েছেন, ‘ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কবে কোন সংবিধান কিংবা জনগণের রায়কে মেনেছেন ? একমাত্র ওনার ওই ২০১১ এর ওই জেতা ছাড়া। বাকি সময়তো পদদলিত করেছেন সংবিধানকে।
দেবজিৎবাবুর বক্তব্য, “ভারতের সমস্ত সংবিধানের মানদণ্ডকে এবং তার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের জনগণের আশা-আকাঙ্খা এবং আশ্বাস ইত্যাদিকে। এই সব ভেবে লাভ নেই। ৭ তারিখ অবধি আছে ওনার মেয়াদ। ইস্তফা দিন বা দিন, ব্যাপারটা একই দাঁড়ায়।
রাজ্য বিজেপি-র প্রধান মুখপাত্র বলেন, “মোরালি কী একটা বললেন না (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)..যে অফিশিয়ালি আমি হেরেছি, মোরালি আমি হারিনি, এরকমতো জীবনে আমি শুনিনি। খুব শক্ত ইংরেজি। আমার কাছে গরম জল নেই, একটু ডুবিয়ে নিয়ে নরম করে নেব। কিন্তু এই ধরণের কথাবাত্রা, এরকম তো কেউ আগে শোনেনি। কোনওদিন দেখেওনি।”
দেবজিৎবাবু বলেন, “মমতার তুলনা মমতাই। আর কেউ এই জায়গা স্পর্শ করতে পারবে না। আমাদের সেই প্রতিভা নেই, মমতার কথা নিয়ে আমরা কিছু বলতে পারি। তবে ভারতের গণতন্ত্র ভারতের সংবিধান এগুলিকে মান্যতা দেয় না।’’


Recent Comments