টলিউডের ছবিপাড়ার অন্দরে ফিসফাস, ভোটের রেজাল্ট বেরতেই নাকি রাত-বিরেতে জয়ী রুদ্রনীল ঘোষকে ফোন করেছেন প্রসেনজিৎ! এ খবর চাউর হতেই ‘ইন্ডাস্ট্রি’কে নিয়ে ফের একপ্রস্থ হইচই। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছল যে প্রসেনজিৎ মুখ খুলতে বাধ্য হলেন।
প্রসেনজিৎ সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, “আমি দীর্ঘ বহু বছর ধরে অত্যন্ত সম্মানের সাথে অভিনয় করে আসছি এবং আগামীদিনেও ঠিক একইভাবে কাজ করে যেতে চাই। আপনাদের সকলের কাছে আমার একটাই বিনীত অনুরোধ— দয়া করে আমার গায়ে কোনো রাজনৈতিক রঙ লাগাবেন না।
আমি কাউকে ফোন করিনি; বরং আমার ছোট ভাই ফোন করেছিল আমাকে। বড় দাদা হিসেবে কাউকে আশীর্বাদ করা আমার কর্তব্য, আর আমি কেবল সেই টুকুই পালন করেছি। এর সাথে রাজনীতির কোনো যোগসূত্র নেই।”
ছাব্বিশের ভোটবঙ্গে একাধিকবার চর্চার শিরোনামে ঠাঁই পেয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। কখনও পদ্মশ্রীপ্রাপ্তির পর ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁর বাড়িতে সুকান্ত মজুমদারের পদাপর্ণ নিয়ে খোঁচা দেওয়া হয়েছে, তো কখনও বা আবার পুত্র মিশুকের ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনির জন্য ‘ইন্ডাস্ট্রি’র রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে।


Recent Comments