SIR প্রক্রিয়ায় বাদ পড়া নামের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি না হওয়ায় এবার নির্বাচন কমিশনের কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। মুর্শিদাবাদ ও মালদহ-সহ বিভিন্ন জেলায় বহু মানুষের আবেদন এখনও অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে প্রাক্তন সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন।
মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানতে চায়, বর্তমানে কতগুলি ট্রাইব্যুনাল সক্রিয় রয়েছে, তারা প্রতিদিন কতক্ষণ কাজ করছে এবং এখনও পর্যন্ত কতগুলি আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে। আবেদন নিষ্পত্তির বর্তমান গতি নিয়ে আদালত উদ্বেগ প্রকাশ করে।
আদালতের পর্যবেক্ষণ, যে গতিতে আবেদনগুলির নিষ্পত্তি চলছে, তাতে সব আবেদন শেষ হতে দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে। প্রয়োজনে আবেদন নিষ্পত্তির পরিকাঠামো আরও উন্নত করার কথাও জানানো হয়। অনলাইনে শুনানির মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে।
অধীর চৌধুরীর আইনজীবী আদালতে জানান, এখনও পর্যন্ত যতগুলি আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে, মোট আবেদনের তুলনায় সেই সংখ্যা খুবই কম। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, পরিকাঠামোগত সমস্যার কারণে যদি নিষ্পত্তিতে দেরি হয়ে থাকে, তাহলে কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।
এদিকে, ট্রাইব্যুনালের কাজের অগ্রগতি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কমিশনের বৈঠকের কথাও আদালতে জানানো হয়েছে। আগামী ২৫ অগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
SIR প্রক্রিয়ায় বাদ পড়া নামের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি না হওয়ায় এবার নির্বাচন কমিশনের কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। মুর্শিদাবাদ ও মালদহ-সহ বিভিন্ন জেলায় বহু মানুষের আবেদন এখনও অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে প্রাক্তন সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন।
মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানতে চায়, বর্তমানে কতগুলি ট্রাইব্যুনাল সক্রিয় রয়েছে, তারা প্রতিদিন কতক্ষণ কাজ করছে এবং এখনও পর্যন্ত কতগুলি আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে। আবেদন নিষ্পত্তির বর্তমান গতি নিয়ে আদালত উদ্বেগ প্রকাশ করে।
আদালতের পর্যবেক্ষণ, যে গতিতে আবেদনগুলির নিষ্পত্তি চলছে, তাতে সব আবেদন শেষ হতে দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে। প্রয়োজনে আবেদন নিষ্পত্তির পরিকাঠামো আরও উন্নত করার কথাও জানানো হয়। অনলাইনে শুনানির মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে।
অধীর চৌধুরীর আইনজীবী আদালতে জানান, এখনও পর্যন্ত যতগুলি আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে, মোট আবেদনের তুলনায় সেই সংখ্যা খুবই কম। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, পরিকাঠামোগত সমস্যার কারণে যদি নিষ্পত্তিতে দেরি হয়ে থাকে, তাহলে কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।
এদিকে, ট্রাইব্যুনালের কাজের অগ্রগতি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কমিশনের বৈঠকের কথাও আদালতে জানানো হয়েছে। আগামী ২৫ অগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।


Recent Comments