back to top
Sunday, September 20, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeজেলার খবরমধুচন্দ্রিমায় গিয়ে বার্বিকিউয়ের আগুনে দগ্ধ নববধূ, সিটঙের হোমস্টে ঘিরে অভিযোগ

মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে বার্বিকিউয়ের আগুনে দগ্ধ নববধূ, সিটঙের হোমস্টে ঘিরে অভিযোগ

দার্জিলিঙের সিটঙে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে পড়লেন এক নবদম্পতি। বার্বিকিউয়ের আগুনে গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন নববধূ নিকিতা সাহা। উত্তর দিনাজপুরের বাসিন্দা সমীর দাসের স্ত্রী নিকিতার শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বর্তমানে শিলিগুড়ির একটি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

ঘটনার পর হোমস্টে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন নিকিতার স্বামী সমীর। তাঁর দাবি, বার্বিকিউয়ের আগুনে একটি ড্রাম থেকে কিছু ঢালার পরেই আচমকা আগুনের শিখা বেড়ে যায়। সেই আগুন নিকিতার শরীরে লাগে। স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে সমীরও আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

সমীরের অভিযোগ, হোমস্টেতে বার্বিকিউয়ের ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা আগে থেকেই জানতে চেয়েছিলেন তাঁরা। সেই অনুযায়ী বার্বিকিউয়ের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সেখানে দায়িত্বে থাকা কর্মী বিষয়টি সম্পর্কে যথেষ্ট অভিজ্ঞ ছিলেন না বলে অভিযোগ তাঁর। দুর্ঘটনার পরেও দ্রুত সাহায্য পাওয়া যায়নি এবং আহত নিকিতাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতেও দেরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ হোমস্টে কর্তৃপক্ষ। হোমস্টের মালিক নেহাল আইরনের দাবি, বার্বিকিউয়ের সময় দম্পতিকে বার বার আগুন থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, তাঁদের কর্মী সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দম্পতি তৃতীয় এক ব্যক্তিকে ডাকেন। ওই ব্যক্তি হোমস্টের কর্মী নন বলেই দাবি কর্তৃপক্ষের।

হোমস্টে মালিকের আরও দাবি, ঠান্ডা লাগার কথা বলে ওই ব্যক্তিকে আগুন বাড়ানোর জন্য কেরোসিন ঢালতে বলা হয়েছিল। পাশাপাশি, নিকিতা নাইলনের পোশাক পরেছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, পোশাকের কারণে আগুন দ্রুত শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, দম্পতি বার্বিকিউয়ের সামনে বসে ছিলেন। তাঁদের সামনে আগুন জ্বলছিল। সেই সময় বিপরীত দিক থেকে এক ব্যক্তি ড্রাম কাত করে আগুনের মধ্যে কোনও তরল পদার্থ ঢালার চেষ্টা করেন। এরপরই হঠাৎ আগুনের শিখা বেড়ে যায় এবং নিকিতা তাতে ঝলসে যান।

আরো পড়ুন:  জামাই ষষ্ঠীতে বাজারে আগুন, তবু উৎসবের আনন্দে মেতে মালদা

ঘটনার পর পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আগুনের মধ্যে ঠিক কী পদার্থ ঢালা হয়েছিল, কে তা ঢেলেছিলেন এবং কী কারণে এমন ঘটনা ঘটল—এই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments