back to top
Wednesday, October 14, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeজেলার খবরফরাক্কায় স্বস্তির খবর! পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল শুরু, রাতের মধ্যেই স্বাভাবিক হতে পারে...

ফরাক্কায় স্বস্তির খবর! পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল শুরু, রাতের মধ্যেই স্বাভাবিক হতে পারে রেল পরিষেবা

ফরাক্কায় রেললাইন ধসের জেরে কয়েক দিন ধরে ব্যাহত উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেল যোগাযোগ। তবে অবশেষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশায় স্বস্তির খবর দিল রেল। নিউ ফরাক্কা স্টেশনের কাছে ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইনে মেরামতির কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছতেই শনিবার পরীক্ষামূলক ভাবে ট্রেন চালানো শুরু হয়েছে। যদিও এখনই ওই পথে যাত্রিবাহী এক্সপ্রেস ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় মেরামতির কাজে গতি আসে। দীর্ঘ সময়ের চেষ্টার পর ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইনের প্রয়োজনীয় সংস্কার এগিয়ে নিয়ে যায় রেল কর্তৃপক্ষ। এরপর লাইনের নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব যাচাই করতে পরীক্ষামূলক ট্রেন চালানো শুরু হয়।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পরেই যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। প্রথমে পরীক্ষামূলক ট্রেন চালানোর পর দুই কামরার ইনস্পেকশন ভ্যান দিয়ে রেললাইন পরীক্ষা করা হতে পারে। এরপর আরও ভারী ট্রেন চালিয়ে লাইনের সক্ষমতা যাচাই করা হবে। সমস্ত পরীক্ষা সফল হলেই যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের জন্য চূড়ান্ত ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

পূর্ব রেলের মালদহ বিভাগের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার ইতাজিৎ কৌর জানিয়েছেন, শনিবার রাতের মধ্যেই ফরাক্কা হয়ে ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক করার লক্ষ্য নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে। তবে নতুন করে বৃষ্টি শুরু হলে মেরামতির কাজে ফের সমস্যা দেখা দিতে পারে। গত কয়েক দিনের লাগাতার বৃষ্টিই রেললাইন মেরামতের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামতের জন্য শনিবার পাওয়ার ব্লক নেওয়া হয়। রেললাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন করে শুরু হয় জোরকদমে কাজ। বড় জেসিবি ও একাধিক জ্যাকের সাহায্যে ধসে যাওয়া অংশ মেরামত করা হচ্ছে। পাশাপাশি, যেখানে রেললাইনের পাশে জলাশয় রয়েছে, সেখানে ভবিষ্যতে ধস রুখতে অতিরিক্ত সুরক্ষার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

এদিকে, ফরাক্কা রুট বন্ধ থাকায় বহু ট্রেনকে ঘুরপথে চালানো হচ্ছে। শনিবার সকাল থেকে অন্তত ১৬০টি ট্রেন ডিজেল ইঞ্জিনের সাহায্যে চলাচল করেছে বলে রেল সূত্রে খবর। এর ফলে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছতে গড়ে প্রায় এক ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় লাগছে।

আরো পড়ুন:  পুকুর খননে মিলল প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি, গাজোলে চাঞ্চল্য

তবে রেল কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা চললেও যাত্রীদের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও রকম আপস করা হবে না। মেরামতির কাজ ও নিরাপত্তা পরীক্ষা সম্পূর্ণ সন্তোষজনক হলেই যাত্রীবাহী ট্রেন চালানো হবে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং নতুন করে বৃষ্টির কারণে কোনও সমস্যা তৈরি না হলে শনিবার রাতের মধ্যেই ফরাক্কা হয়ে রেল পরিষেবা অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে কয়েক দিন ধরে দুর্ভোগে থাকা উত্তরবঙ্গগামী ও দক্ষিণবঙ্গগামী যাত্রীদের জন্য স্বস্তির খবর আসতে পারে খুব শীঘ্রই।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments