গ্রুপ ‘বি’ আধিকারিকদের তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলল নবান্ন। মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের তরফে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ ‘বি’ অফিসারদের ডেটাবেস বিকৃত করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন কমিশনে পাঠানো গ্রুপ ‘বি’ কর্মচারীদের তালিকা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের ০৬.১০.২০২০ তারিখের ২১৬০-এফ(জে)ডব্লিউবি স্মারকলিপিতে নির্ধারিত বেতন কাঠামো ও শ্রেণিবিন্যাসের মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে। ওই নির্দেশিকা অনুযায়ী রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’ বিভাগে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। রাজ্যের দাবি, কোনও বিচ্যুতি ছাড়াই নিয়ম মেনেই তালিকা তৈরি ও জমা দেওয়া হয়েছে। অনিয়ম বা হেরফেরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন বলেও জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৪ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। সে সময় নির্বাচন কমিশনের তরফে অভিযোগ করা হয়, পর্যাপ্ত যোগ্য কর্মী না পাওয়ায় এসআইআর প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক অফিসার দিতে প্রস্তুত।
পরবর্তীতে ৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্য ৮৫০৫ জন গ্রুপ ‘বি’ অফিসার দেওয়ার কথা জানায়। তবে ৯ ফেব্রুয়ারির শুনানিতে স্বীকার করা হয়, কমিশনের সম্মতির অপেক্ষায় সম্পূর্ণ তালিকা আগে পাঠানো হয়নি। পরে আদালতেই সেই তালিকা কমিশনের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এই প্রেক্ষাপটে গ্রুপ ‘বি’ অফিসারদের ডেটাবেস বিকৃতির অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

