আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে—মুসলিম ভোটব্যাঙ্কে ভাঙন কি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে শাসক দল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য? বিভিন্ন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট না হলেও কিছু এলাকায় অসন্তোষের ইঙ্গিত মিলছে।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, স্থানীয় স্তরে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক পরিষেবা নিয়ে কিছু মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, যা বিরোধী দলগুলি রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে। বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় কিছু নতুন আঞ্চলিক রাজনৈতিক শক্তির উত্থানও ভোটের সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।
অন্যদিকে, বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তি সংখ্যালঘু ভোটের একাংশ নিজেদের দিকে টানার চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও রাজনৈতিক মহলের ধারণা। যদিও শাসক দলের নেতৃত্বের দাবি, তাদের সামাজিক প্রকল্প, সংখ্যালঘু কল্যাণমূলক কর্মসূচি এবং দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ভিত্তি এখনও মজবুত রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোটের ফল নির্ভর করবে শেষ মুহূর্তের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, স্থানীয় ইস্যু এবং ভোটারদের বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর। তাই মুসলিম ভোটে বড় ভাঙন হবে কি না, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন হলেও, বিষয়টি যে এবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা রাখতে চলেছে, তা নিয়ে প্রায় সকলেই একমত।
আরও পড়ুনঃ https://bengali.newscope.press/educated-unemployed-turn-to-youth-allowance-scheme/

