back to top
Saturday, May 30, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeবিবিধআইএসআই-এর আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান শিক্ষা কেন্দ্রের (ISEC) ৭৭তম সমাবর্তন

আইএসআই-এর আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান শিক্ষা কেন্দ্রের (ISEC) ৭৭তম সমাবর্তন

ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের (ISI) আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান শিক্ষা কেন্দ্রের (ISEC) ৭৭তম মেয়াদের সমাবর্তন অনুষ্ঠানটি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়। এতে আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণার্থীদের ডিপ্লোমা দেওয়া হয়েছে।

পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত, জাতীয় পরিসংখ্যান কমিশনের (NSC) প্রাক্তন চেয়ারপারসন এবং ISI-এর প্রাক্তন পরিচালক অধ্যাপক বিমল কুমার রায় এই উপলক্ষে সমাবর্তন ভাষণ দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব এবং অনুষ্ঠানের সূচনা ঘোষণা করেন ISEC-এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস. পি. মুখার্জি। স্বাগত ভাষণ দেন এবং প্রাপকদের হাতে ডিপ্লোমা তুলে দেন ইনস্টিটিউটের
পরিচালক অধ্যাপক অমর্ত্য কুমার দত্ত। ISEC-এর ভারপ্রাপ্ত সদস্য-সচিব অধ্যাপক অয়নেন্দ্রনাথ বসু এই অনুষ্ঠানে ‘বার্ষিক পর্যালোচনা’ (Annual Review) প্রকাশ করেন। ISEC-এর সহকারী সদস্য-সচিব অধ্যাপক সন্দীপ মিত্র উপস্থিত শ্রোতৃমণ্ডলীর উদ্দেশ্যে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক বিমল কুমার রায় সংগৃহীত তথ্যের গোপনীয়তা বা ‘ডেটা প্রাইভেসি’ বিষয়ক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারি নীতি বাস্তবায়নের জন্য তথ্য বা ‘ডেটা’ অত্যন্ত শক্তিশালী একটি মাধ্যম। তথ্য বা ডেটা প্রকাশের সময় এর গোপনীয়তা অবশ্যই সুরক্ষিত রাখা উচিত।

অধ্যাপক রায় এই প্রসঙ্গে প্রয়াত পরিসংখ্যানবিদ অধ্যাপক প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবিশকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
প্রয়াত পরিসংখ্যানবিদের অসামান্য অবদান
‘মহলানবিশ ডি-স্কোয়ার’ বিভিন্ন গাণিতিক ও বৈজ্ঞানিক পরিমাপের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এটির উল্লেখ করেন অধ্যাপক রায়।

অধ্যাপক এস. পি. মুখার্জি জাতি গঠনের পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ISEC প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অধ্যাপক পি. সি. মহলানবিশের অবদানের কথা বিশদভাবে তুলে ধরেন। অধ্যাপক অমর্ত্য কুমার দত্ত সমাবর্তনপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের পরিসংখ্যান শাস্ত্রের উন্নয়নের লক্ষ্যে নিরন্তর এগিয়ে চলার আহ্বানও জানান।

এই অনুষ্ঠানে ১১টি দেশের আঠারো (১৮) জন প্রশিক্ষণার্থীকে (৬ জন নারী এবং ১২ জন পুরুষ) ‘পরিসংখ্যান তত্ত্ব ও প্রয়োগ’
(Statistical Theory and Applications) বিষয়ক ১০ মাসব্যাপী ডিপ্লোমা দেওয়া হয়। এই প্রশিক্ষণার্থীরা ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, ঘানা, মিয়ানমার, নেপাল, নাইজার, দক্ষিণ সুদান, শ্রীলঙ্কা, তানজানিয়া এবং জিম্বাবুয়ে থেকে আগত।

আরো পড়ুন:  Weather Report: গরমের মাঝে স্বস্তির বার্তা—দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর দাপট, কলকাতায় ৫০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

বর্তমানে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘ইন্ডিয়ান টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন’ (ITEC) কর্মসূচির সহযোগিতায় ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল এডুকেশন সেন্টার’ (ISEC) এই পাঠ্যক্রমটি পরিচালনা করছে। কেন্দ্রটি মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দূরপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহ থেকে নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিভিন্ন স্তরে তাত্ত্বিক ও ফলিত পরিসংখ্যান বিষয়ক নিয়মিত ও বিশেষ পাঠ্যক্রমের ব্যবস্থা করে।

অংশগ্রহণকারীদের অধিকাংশই উল্লিখিত দেশগুলোর জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর ও অন্যান্য সরকারি বিভাগ, কিংবা আর্থিক ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। এ পর্যন্ত ৮৬টি দেশের প্রায় ১৭৪৬ জন প্রশিক্ষণার্থী এই পাঠ্যক্রমে অংশ নিয়ে ডিপ্লোমা পেয়েছেন।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments