back to top
Monday, April 13, 2026
Leaderboard Ad Space (728x90) - Responsive
Homeরাজ্য ও রাজনীতিদুই জেলাশাসককে বদলির দাবি তুললেন শুভেন্দু অধিকারী

দুই জেলাশাসককে বদলির দাবি তুললেন শুভেন্দু অধিকারী

পশ্চিমবঙ্গের দুই জেলাশাসককে বদলির দাবি তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নদিয়ায় একটি অডিয়ো টেপে অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রভাব খাটানোর দায়ে এক অতিরিক্ত জেলাশাসক ও এক জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও দাবি করেন তিনি।

মঙ্গলবার শুভেন্দুবাবু দাবি করেন যে, পূর্ব বর্ধমানের জেলা নির্বাচন আধিকারিক হিসেবে কর্মরত আয়েশা রানি এবং উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসককে আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার আগে বা সঙ্গে সঙ্গেই বদলি করা উচিত।

তিনি বলেন, মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন সংক্রান্ত একাধিক নির্দেশিকা দিয়েছে। আজও সেই বিষয়ে সংশোধন চলছে। নদিয়া জেলা থেকে একটি অডিও ক্লিপ প্রধান নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে যে নথি জমা দেওয়ার শেষ দিনে নদিয়া জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রভাব খাটিয়েছেন। ভারতীয় জনতা পার্টি ইতিমধ্যেই সেই অডিওটি প্রকাশ করে সংবাদমাধ্যমে প্রচার করেছে।

যদি নির্বাচন কমিশন এই অডিও ক্লিপকে প্রমাণযোগ্য বলে মনে করে, তবে তা কেন্দ্রীয় ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানো উচিত এবং সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত জেলাশাসক ও জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ২২৫ জন নির্বাচন নিবন্ধন আধিকারিক নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা লঙ্ঘন করেছেন। নির্দেশিকা অনুযায়ী নির্বাচন নিবন্ধন আধিকারিকদের পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিসের এ গ্রেড অফিসার বা আইএএস পর্যায়ের মহকুমা শাসক হওয়ার কথা, কিন্তু তা মানা হয়নি। তিনি বলেন, মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে এই আধিকারিকদের বদলি করা উচিত।

শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তোলেন, গতকাল কলকাতা হাইকোর্টের মাননীয় প্রধান বিচারপতির ডাকা একটি বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মী ও প্রাক্তন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ কীভাবে উপস্থিত ছিলেন এবং কোন ক্ষমতায় ছিলেন? বিজেপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদার ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন যে কেন মনোজ পন্থকে গ্রেফতার করা হবে না। এই বিষয়টি প্রধান নির্বাচনী আধিকারিককে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে জানাতে বলা হয়েছে।

আরো পড়ুন:  শুরু হয়ে গেছে বাহুবলীদের সুবচন

শুভেন্দুবাবু বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে কোনও অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকতে পারেন না এবং মনোজ পন্থের এই বিষয়ে কোনও আইনগত অধিকার নেই। এই বিষয়ে প্রধান নির্বাচনী আধিকারিকের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কী ব্যবস্থা নেন, তার জন্য আমরা অপেক্ষা করছি।

Author

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Demo Ad
Sponsored Links

Most Popular

Recent Comments